হাইড্রেশন ও ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য (Hydration and Electrolyte Balance)
সারাদিন পানি না খাওয়ার ফলে শরীরে যে পানিশূন্যতা তৈরি হয়, তা দূর করতে ইলেক্ট্রোলাইট অত্যন্ত জরুরি। ডাবের পানিতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম (Potassium), সোডিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে, যা শরীরকে দ্রুত রি-হাইড্রেট করে। অন্যদিকে, আখের রসে কিছু খনিজ থাকলেও ডাবের পানির মতো সুষম ইলেক্ট্রোলাইট নেই। তাই পানিশূন্যতা কাটাতে ডাবের পানিই সেরা বিকল্প।
আরও পড়ুন:
চিনির মাত্রা ও ক্যালোরি তুলনা (Sugar Level and Calories Comparison)
আখের রসে প্রাকৃতিকভাবে প্রচুর চিনি ও কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা তাৎক্ষণিক শক্তি (Instant Energy) জোগাতে সাহায্য করে। তবে এতে গ্লুকোজের মাত্রা দ্রুত বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে, যা ডায়াবেটিস রোগীদের (Diabetes Patients) জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে। বিপরীতে, ডাবের পানিতে চিনি ও ক্যালোরি অনেক কম থাকে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
হজম ও নিরাপত্তা (Digestion and Safety)
ইফতারের পর পাকস্থলী অনেক সময় সংবেদনশীল থাকে। আখের রস অনেক সময় পেট ফাঁপা (Bloating) বা বদহজমের কারণ হতে পারে। এছাড়া রাস্তার ধারের আখের রসে জীবাণুর সংক্রমণ হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ডাবের পানি প্রাকৃতিকভাবেই প্যাকেটজাত থাকে, তাই এটি তুলনামূলক বেশি নিরাপদ ও হাইজেনিক।
আরও পড়ুন:
চূড়ান্ত রায় (Final Verdict)
আপনার লক্ষ্য যদি হয় দ্রুত ক্লান্তি দূর করা এবং স্বাস্থ্য ঠিক রাখা, তবে ইফতারে ডাবের পানি বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। তবে তাৎক্ষণিক শক্তির প্রয়োজন হলে খুব সীমিত পরিমাণে আখের রস পান করা যেতে পারে। সবচেয়ে ভালো হয় প্রথমে পানি বা ডাবের পানি দিয়ে ইফতার শুরু করা।
একনজরে ডাবের পানি বনাম আখের রস
বৈশিষ্ট্য (Feature) ডাবের পানি (Coconut Water) আখের রস (Sugarcane Juice) ক্যালোরি ও চিনি খুবই কম (Low) অনেক বেশি (High) ইলেক্ট্রোলাইট প্রচুর (Rich) মাঝারি (Moderate) হজম ক্ষমতা সহজপাচ্য (Easy to digest) ভারী ও গ্যাস হতে পারে স্বাস্থ্যঝুঁকি তেমন নেই ডায়াবেটিস ও হাইজিন ঝুঁকি
আরও পড়ুন:





