
ডাবে পানির পরিমাণ কতটুকু? না কেটেই বুঝবেন যেভাবে
প্রচণ্ড গরমে ক্লান্তি দূর করতে, পানিশূন্যতা মেটাতে কিংবা শরীর ঠান্ডা রাখতে ডাবের পানির (Coconut Water) জুড়ি নেই। এতে থাকা প্রাকৃতির ইলেকট্রোলাইটস ও পুষ্টি উপাদান শরীরের জন্য দারুণ উপকারী। তবে অনেক সময় বাজার থেকে বড় আকৃতির ডাব কিনে এনে কেটে দেখা যায় ভেতরে পানির পরিমাণ খুবই কম। আকৃতি বড় হলেই যে ডাবে পানি বেশি থাকবে-এমন ধারণাই মূলত ভুল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেনাকাটার সময় কয়েকটি সহজ কৌশল জানা থাকলে সহজেই পানিভর্তি ডাব চেনা সম্ভব (How to Choose Coconut Full of Water)।

যে ৫ কারণে নিয়মিত ডাবের পানি খাওয়া উপকারী
শরীর সুস্থ রাখতে প্রয়োজন পুষ্টিকর খাবার ও পর্যাপ্ত পানি পান। শরীরের ভেতর ও বাইরের যত্নে প্রাকৃতিক পানীয় হিসেবে ডাবের পানির রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব। এতে থাকা বিভিন্ন খনিজ ও পুষ্টি উপাদান শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।

ডাবের পানিতে যেসব উপাদান মেশালে ক্লান্তি দূর হবে নিমেষেই! জানুন জাদুকরী মিশ্রণ
গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে শরীর ঠান্ডা রাখা এবং ক্লান্তি দূর করার সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রাকৃতিক পানীয় হলো ডাবের পানি। এতে থাকা পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালশিয়ামসহ নানা মিনারেল শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে এবং ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। ফলে গরমে দুর্বলতা, মাথা ঘোরা ও পানিশূন্যতার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।

ইফতারে ডাবের পানি না আখের রস: কোনটি আপনার শরীরের জন্য বেশি উপকারী?
দীর্ঘ সময় রোজা রাখার পর ইফতারের সময় এক গ্লাস ঠান্ডা পানীয় শরীরের ক্লান্তি দূর করে প্রাণ জুড়িয়ে দেয়। তৃষ্ণা মেটাতে অনেকেই প্রাকৃতিক পানীয় হিসেবে ডাবের পানি (Coconut Water) অথবা আখের রস (Sugarcane Juice) বেছে নেন। কিন্তু পুষ্টিগুণ, হাইড্রেশন এবং স্বাস্থ্যের দিক থেকে কোনটি বেশি কার্যকর? আসুন জেনে নিই বিশেষজ্ঞ মতামত।

রোজা শেষে স্বস্তি পেতে ইফতারে রাখুন ৫ মৌসুমি ফল
রমজানের দীর্ঘ সময় পানাহার থেকে বিরত থাকার পর ইফতারে সঠিক খাদ্য নির্বাচন অত্যন্ত জরুরি। ভাজাপোড়া বা অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই পুষ্টিবিদরা (Nutritionists) ইফতারের তালিকায় প্রথম সারিতে মৌসুমি ফল (Seasonal Fruits) রাখার পরামর্শ দেন। মৌসুমি ফল কেবল সহজপাচ্যই নয়, বরং এগুলো পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং শরীর দ্রুত গ্রহণ করতে পারে।

সুস্থ থাকতে ইফতার শুরু করবেন যেসব খাবারে; জানুন রোগভেদে সঠিক ডায়েট চার্ট
রমজানে সারাদিন পানাহার থেকে বিরত থাকার পর ইফতারে (Iftar) হুটহাট অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে পেটের সমস্যা ও গ্যাস্ট্রিকের ঝুঁকি (Risk of Gastritis) বেড়ে যায়। তাই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা (Glucose Level) নিয়ন্ত্রণে রাখতে বৈজ্ঞানিক ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে ইফতার গ্রহণ করা উচিত। ব্যক্তির বয়স, জীবনযাপন পদ্ধতি এবং শারীরিক রোগ অনুযায়ী ইফতারের তালিকা ভিন্ন হওয়া প্রয়োজন।