
ইরানের ক্ষমতা দখলের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে হাটার ইঙ্গিত পাহলভির
রেজা পাহলভিকে ভালো মনে হলেও ক্ষমতা দখলে ইরানের অভ্যন্তরে তিনি জনসমর্থন আদায় করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রয়টার্সকে দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। তবে ফক্স নিউজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ক্ষমতা দখলের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে হাটার ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত যুবরাজ।

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যে ২৫ শতাংশ শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের
ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করে এমন দেশগুলোর ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প। আর এ হুমকি যুক্তরাষ্ট্র-চীনের মধ্যে বাণিজ্যযুদ্ধের পুরনো ক্ষত ফের চাঙ্গা করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যদিও বিশ্লেষকদের মতে, চীন ইস্যুতে ট্রাম্প বাস্তবে এটি কার্যকর করবেন না। যার অন্যতম কারণ এপ্রিলে ট্রাম্পের বেইজিং সফর ও নতুন বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা।

নিউ ইয়র্কে ১৫ হাজার নার্সের ধর্মঘট; মেয়র জোহরান মামদানির সংহতি
উন্নত কাজের পরিবেশ ও নিরাপত্তার দাবি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে রাজপথে নেমেছেন হাজার হাজার নার্স। নিউ ইয়র্ক সিটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এই নার্স ধর্মঘটে শামিল হয়েছেন নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানিও। বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও নার্স ইউনিয়নকে সমঝোতায় আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। মার্কিন গণমাধ্যমের দাবি, নার্সদের এই ধর্মঘট নিউ ইয়র্কের রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে যাচ্ছে।

মার্কিন নারীর মৃত্যুতে আইসিইবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র
অভিবাসন সংস্থা-আইসিই এজেন্টের গুলিতে মার্কিন নারী নিহতের জেরে বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র। মিনিয়াপলিসের ফেডারেল ভবনের সামনে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধস্তাধস্তিতে আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। এ ঘটনায় আটক করা হয়েছে কয়েকজনকে। এদিকে আইসিইর তৎপরতা বন্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সংস্থাটির অভিযানকে অসাংবিধানিক উল্লেখ করে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে বেশ কয়েকজন ফেডারেল অফিসারদের নামও।

এক বছরেই লাখেরও বেশি বিদেশি ভিসা বাতিল করেছে ট্রাম্প প্রশাসন
ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম বছরেই অভিবাসন ও ভিসা নীতিতে চরম কড়াকড়ি আরোপ করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের সোমবার (১২ জানুয়ারি) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে রেকর্ড সংখ্যক এক লাখের বেশি বিদেশি নাগরিকের ভিসা বাতিল করা হয়েছে। এ সংখ্যাটি ২০২৪ সালের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি, যা ট্রাম্প প্রশাসনের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির কঠোর বাস্তবায়নের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

গ্রিনল্যান্ড দখলের বাসনা, ট্রাম্পকে ঘিরে কী ভূ-রাজনৈতিক ঝড় আসছে?
গ্রিনল্যান্ড পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দ্বীপ। যার আয়তন যুক্তরাজ্যের ৯ গুণ এবং জার্মানির ৬ গুণ। জনসংখ্যা মাত্র ৫৭ হাজার। আর্কটিক অঞ্চলে অবস্থিত দ্বীপটি ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত ভূখণ্ড। যা খনিজ সম্পদ সমৃদ্ধ এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

ভেনেজুয়েলার তেলে নজর ট্রাম্পের, অনাগ্রহ মার্কিন বিনিয়োগকারীদের
ভেনেজুয়েলার তেলে আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় ১০০ বিলিয়ন ডলার খরচের কথা বললেও, মার্কিন তেল কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে তেমন একটা সাড়া পাননি ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে তারা বলেছেন, ভেনেজুয়েলায় এখনও বিনিয়োগ করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। যদিও, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দিতে চান ট্রাম্প। এদিকে ভেনেজুয়েলা থেকে ছেড়ে যাওয়া আরও একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এমন পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিকের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে করাকাস।

গ্রিনল্যান্ড বিষয়ে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: নজিরবিহীন সংকটে পড়ার উদ্বেগ ন্যাটোর
রাশিয়া বা চীন দখলের আগে, গ্রিনল্যান্ডে নিজেদের মালিকানা প্রতিষ্ঠা করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র—এমন মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেজন্য প্রয়োজনে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। সামরিক পদক্ষেপ নিতে চাইলে সমর্থন না করার ঘোষণা দিয়েছে ইতালি। এদিকে গ্রিনল্যান্ড দখলে ট্রাম্প প্রশাসনের যেকোনো কঠিন পদক্ষেপে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো নজিরবিহীন সংকটে পড়বে বলেও ইউরোপে উদ্বেগ বাড়ছে। কিছুতেই দখলের সুযোগ দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন ডেনিশ প্রধানমন্ত্রী।

ট্রাম্পের ‘আইন না মানার’ দম্ভোক্তি: আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মানের আহ্বান জাতিসংঘের
‘আমার আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োজন নেই’-মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন দম্ভোক্তি বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। ট্রাম্পের এই ‘পেশিশক্তির’ রাজনীতিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে জাতিসংঘ। বিশ্ব সংস্থাটি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, পৃথিবী চলবে আইনের শাসনে, কোনো একক দেশের গায়ের জোরে নয়। একইসঙ্গে ৩১টি আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা এবং বকেয়া পরিশোধ না করায় ওয়াশিংটনের ভোটাধিকার হারানোর শঙ্কা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে নতুন কূটনৈতিক জটিলতা।

জাতিসংঘের সংস্থাগুলো থেকে নাম প্রত্যাহার করার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের
জাতিসংঘের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আকস্মিক এ সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তবে ওয়াশিংটনের এমন পদক্ষেপে দমে না গিয়ে নিজেদের ম্যান্ডেট অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে জাতিসংঘ।