
সোলার সেচ পাম্পে বদলে যাচ্ছে ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষি ব্যবস্থা
ফসল উৎপাদনে অন্যতম বিষয়-সেচ। যার জন্য ডিজেল বা বিদ্যুৎ ব্যবহারে উৎপাদন খরচ পড়ে অনেক বেশি। কৃষকের কথা চিন্তা করে, সদর উপজেলার মলানী বাজার এলাকার কৃষক সলেমান আলী তৈরি করেছেন-ব্যাটারিবিহীন সোলার সেচ পাম্প। এ পাম্পের মাধ্যমে হাসি ফুটেছে স্থানীয় অনেক কৃষকের। দিন দিন ব্যবহার বাড়ছে এ সোলার সেচ পাম্পের।

সেচ মূল্যে অনিয়ম; খরচ বাড়ার আশঙ্কায় সিরাজগঞ্জের কৃষকরা
ইরি-বোরো মৌসুমে সিরাজগঞ্জে উপজেলা সেচ কমিটির নির্ধারিত মূল্য মানছে না সেচ স্কিম মালিকরা। কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি বিঘায় আদায় করা হচ্ছে চার ভাগের এক ভাগ ধান। আর উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় লোকসানের আশংকা কৃষকদের। উপজেলা সেচ কমিটি অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বললেও মাঠ পর্যায়ে তদারকির অভাব রয়েছে বলেও উঠছে অভিযোগ।

ফেনীতে অসময়ের শিলাবৃষ্টি-সিন্ডিকেট দৌরাত্ম্য; আবাদ বাড়লেও লোকসানের ঝুঁকি
অসময়ের শিলাবৃষ্টি ও জ্বালানি তেলের সংকটে পরিবহন সিন্ডিকেট ও দরপতনের কবলে পড়ে ফেনীতে ‘পুঁজি’ হারাতে বসেছেন তরমুজ চাষিরা। চলতি মৌসুমে তরমুজের আবাদ বাড়লেও চরম লোকসানের ঝুঁকিতে হতাশ বিনিয়োগকারীরা।

বোরো মৌসুমে জিকে সেচ প্রকল্পের পানি পেয়ে, চুয়াডাঙ্গার কৃষকের মুখে হাসি
মৌসুমের শুরুতেই চুয়াডাঙ্গায় জিকে সেচ ক্যানেলে পানি থৈ থৈ করছে। বিনা খরচে এ পানি ব্যবহার করে বোরো ধান, ভুট্টা ও সবজি আবাদ করতে পেরে খুশি কৃষকরা। কয়েক বছর আগেও খরা মৌসুমে ডিজেলচালিত স্যালো মেশিনে সেচ দিতে হতো তাদের।

লিচুর মুকুলে মৌমাছির ভিড়; ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যস্ত মৌয়ালরা
ঠাকুরগাঁওয়ের লিচু বাগানগুলোতে মধু সংগ্রহ করতে মৌয়ালরা বসিয়েছেন ‘মৌ বাক্স’। সেখান থেকে দলে দলে মৌমাছির ঝাঁক বসছে লিচুর মুকুলে। এরই মধ্যে অনেক চাষি শেষ করেছেন মধু সংগ্রহ। মুকুল থেকে মধু সংগ্রহের শেষ সময়ে বর্তমানে ব্যস্ত মধু চাষিরা। এদিকে কৃষি বিভাগ বলছে, এ বছর আবহাওয়া ভালো থাকলে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বেশি মধু উৎপাদন হবে।

টাঙ্গাইলে ‘কৃষক কার্ড’ উদ্বোধন ১৪ এপ্রিল; কমবে মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য
টাঙ্গাইলের কৃষকদের মাঝে হস্তান্তরের মাধ্যমে আগামী ১৪ এপ্রিল কৃষক কার্ড উদ্বোধন করা হবে। প্রকৃত কৃষকদের মাঝে কার্ড বিতরণ হলে উপকৃত হবে লাখ লাখ মানুষ। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে।

বাড়ছে উৎপাদন খরচ, মিলছে না ন্যায্যমূল্য—আশার আলো দেখাচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’
একদিকে কৃষিতে উৎপাদন খরচ বাড়ছে, অন্যদিকে পাওয়া যাচ্ছে না উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য। এমন পরিস্থিতিতে কৃষক কার্ডকে আশার আলো হিসেবে দেখছেন দিনাজপুরের চাষিকৃরা। আগামী ১৪ তারিখ এ কর্মসূচির উদ্বোধন হওয়ার কথা রয়েছে। কৃষকরা বলছেন, সঠিকভাবে এ কার্ডের সুবিধা পৌঁছালে উৎপাদনে তাদের আগ্রহ আরও বাড়বে।

উচ্চ সুদ আর কৃষি উপকরণ সংকটে দিশেহারা নেত্রকোণার কৃষক
প্রতিবছর ধানের পাশাপাশি বিভিন্ন ফসলে হাজার কোটি টাকা আয় করে নেত্রকোণা জেলার কৃষকরা। তবে উচ্চ সুদে ঋণ, অনিয়ন্ত্রিত বাজার আর কৃষি উপকরণের সংকট-কৃষকদের বড় চ্যালেঞ্জ। এমন অবস্থায় কৃষকদের দাবি, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থাসহ সার ও বীজের সংকট নিরসন হোক। কৃষি বিভাগ বলছে, পর্যায়ক্রমে প্রান্তিক কৃষকদের সবাইকে কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হবে।

প্রতিকূল পরিস্থিতিতে চাপে কৃষকরা; কৃষক কার্ডই কি আনবে স্বস্তি?
কিশোরগঞ্জে গড়ে উঠেছে বিশাল এক কৃষি অর্থনীতি। বছরে ১০ হাজার কোটি টাকারও বেশি আয় আসে এই খাত থেকে। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর উৎপাদন খরচ বাড়ায় চাপে কৃষকরা। এমন বাস্তবতায় আশার আলো দেখাচ্ছে সরকারের ‘কৃষক কার্ড’ উদ্যোগ। কিন্তু এই সুবিধা কতটা পৌঁছাবে প্রান্তিক কৃষকের হাতে—সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

হাওরে আগাম বন্যার ঝুঁকি; দুশ্চিন্তায় কৃষক
সিলেটের হাওরাঞ্চলে এখন সোনালি ধানের হাসি। কিন্তু সেই হাসিকেও ম্লান করে দিচ্ছে অকাল বন্যার আশঙ্কা। কয়েকদিনের গুমোট আবহাওয়া কৃষকদের মনে করিয়ে দিচ্ছে গত কয়েক বছরের তিক্ত স্মৃতি। যদিও পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, বন্যার আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া না গেলেও এপ্রিলের মাঝামাঝি পর্যন্ত সময় পেলে কোনো সংকট তৈরি হবে না হাওরে।