
আড়িয়াল বিলের ৫ মাছে মাইক্রোপ্লাস্টিক, দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকির শঙ্কা
দেশের অন্যতম বৃহৎ মিঠাপানির জলাভূমি মুন্সীগঞ্জের আড়িয়াল বিল। একসময় যে বিলের মাছ ছিল স্থানীয় মানুষের প্রধান ভরসা, সেই মাছেই এখন মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় উঠে এসেছে, আড়িয়াল বিলের কয়েকটি দেশি প্রজাতির মাছের দেহে রয়েছে এই ক্ষতিকর কণা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদে এটি শুধু মাছের জন্য নয়, মানবস্বাস্থ্যের জন্যও তৈরি করতে পারে ঝুঁকি।

অবৈধ জাল-ট্রলিংয়ে কমছে ইলিশ; দুর্ভোগে বরগুনার জেলেরা
দীর্ঘ ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে নেমেও কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা পাচ্ছেন না বরগুনার পাথরঘাটার জেলেরা। একদিকে জ্বালানি তেল ও নিত্যপণ্যের আকাশছোঁয়া দাম আর জলদস্যু আতঙ্ক, অন্যদিকে তীব্র লোডশেডিংয়ে বরফ সংকট-সব মিলিয়ে চরম দিশেহারা উপকূলের মৎস্যজীবীরা। জেলেদের অভিযোগ, প্রশাসনের তদারকির অভাবে সাগরে অবৈধ জাল ও ট্রলিং জাহাজের দাপটেই কমছে রূপালী ইলিশ।

কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জালে ধরা পড়লো ‘লাল কোট ফিশ’
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে জেলের জালে ধরা পড়েছে ‘লাল কোট’ প্রজাতির একটি বিরল সামুদ্রিক মাছ। মাছটির আকর্ষণীয় উজ্জ্বল লাল রঙ ও ভিন্নধর্মী গঠনের কারণে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। জেলে সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার (২ আগস্ট) গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া এফবি জারিফ-৪ ট্রলারে আসাদ মাঝির জালে মাছটি ধরা পড়ে।

কুয়াকাটা সংলগ্ন সমুদ্রে ধরা পড়লো ৫৪ কেজির বিশাল ‘তবল’ বা ‘ট্রেভ্যালি মাছ’
কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ৫৪ কেজি ওজনের তবল মাছ বা ট্রেভ্যালি মাছ।

পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মরিচের দাম
ধারাবাহিকভাবে চলা ভারী বৃষ্টিতে গ্রীষ্মকালীন মরিচ চাষে নেমে এসেছে বড় ধরনের বিপর্যয়। অতিবৃষ্টির কারণে মাঠের অধিকাংশ মরিচ গাছ পচে ও মারা যাওয়ায় চরম লোকসানের মুখে পড়েছেন কৃষকরা। এদিকে মরিচের সরবরাহে ঘাটতি হওয়ায় ভোক্তা পর্যায়ে কেজি প্রতি দর বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২০ টাকায়।

পাহাড়ে বাড়ছে লটকন চাষ; বদলে যাচ্ছে পতিত জমির চিত্র
শেরপুরের গারো পাহাড়ে দিন দিন বাড়ছে লটকন চাষ। একসময় পতিত ও অনাবাদি পড়ে থাকা পাহাড়ি জমিতে এখন গড়ে ওঠছে লটকনের বাগান। কম পরিচর্যা, ভালো বাজারদর ও লাভজনক হওয়ায় এ ফল চাষে আগ্রহী হচ্ছেন নতুন নতুন কৃষক।

ফরিদপুরে ৮৭ হাজার হেক্টরে পাটের আবাদ; উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৯৫ হাজার টন
চলতি মৌসুমে ফরিদপুর জেলায় ৮৭ হাজার হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকরা পাট কাটা, জাগ দেয়ার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এবার পাটের ভালো ফলনের আশা করছেন কৃষি বিভাগ। তবে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি ও ন্যায্যমূল্য নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন চাষিরা।

বন্যা-জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত হাতিয়ার কৃষি; পুঁজি হারিয়ে দিশেহারা কৃষক
টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ, জোয়ারের পানি এবং দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতায় নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হাতিয়ার কৃষি খাতে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে এসেছে। পানি কমে যাওয়ার পর মরে যাচ্ছে সবজি গাছ, নুয়ে পড়ছে বীজতলার চারা। মাঠের পর মাঠ ফসল তলিয়ে যাওয়ায় পুঁজি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন প্রান্তিক কৃষকরা।

গুদামে জায়গা সংকটে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ধান-চাল সংগ্রহে ধীরগতি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খাদ্য গুদামগুলোতে জায়গা সংকটের কারণে ধীরগতিতে চলছে ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম। এর ফলে নির্ধারিত সময়ে ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মাঝ আষাঢ়েও বৃষ্টিহীন রাজশাহী; আমন আবাদে দুশ্চিন্তায় কৃষক
মাঝ আষাঢ়েও কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা নেই রাজশাহীতে। তাতে শুষ্ক বরেন্দ্র এখনও ধুলোয়-ধূসর আমন চাষের মাঠ-ঘাট। বৃষ্টি না হওয়ায় চাষিরা অতিরিক্ত খরচে বীজতলা করেছেন সেচের পানিতে। তাই আমনের আবাদে কৃষকের অপেক্ষা বৃষ্টির পানির, নয়তো বাড়বে উৎপাদন খরচ। তবে, এ অবস্থায় মাঠ পর্যায়ে কৃষি যন্ত্রাংশ ও পানি পেতে নানা সহায়তায় কাজ করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

ধান সংগ্রহে আশাব্যঞ্জক অগ্রগতি, অসন্তুষ্ট মিল মালিকরা
বোরো মৌসুমে ধান চাল সংগ্রহ অভিযান চলছে। ৩৬ টাকা কেজিতে ধান এবং ৪৯ টাকা কেজিতে সিদ্ধ চাল সংগ্রহ করছে সরকার। গত বছরগুলো তুলনায় এবার ধান সংগ্রহের গতি আশাব্যঞ্জক হলেও প্রকৃত কৃষক ধান বিক্রিতে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। চাল সংগ্রহ সাড়া মিললেও কর আরোপ করায় কিছুটা অসন্তুষ্ট মিল মালিকরা।

সৌর পাম্পে সেচ, তবু ভরসা জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুতে!
ডিজেলের বিকল্প হিসেবে কৃষিতে সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব সেচ নিশ্চিত করতে দেশে চালু করা হয়েছিল সৌরচালিত সেচ পাম্প। কিন্তু দিনাজপুরে সেই সৌর পাম্পের অনেকগুলোই এখন নিরবচ্ছিন্নভাবে চলতে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুতের ওপর নির্ভর করছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, যে প্রযুক্তির লক্ষ্য ছিলো বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা কমানো, সেটি কেন আবার বিদ্যুতের ওপরই নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে?