ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, ‘চুক্তি সইয়ের সঠিক সময়ের জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। তবে এটি আগামীকাল হচ্ছে না। যদিও আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সই হওয়ার বিষয়টি উড়িয়ে দেয়া যায় না।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে মার্কিন পক্ষের দ্বিধাদ্বন্দ্বের কারণে সইয়ের তারিখ নিয়ে মন্তব্য করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
বাঘাই বলেন, ইসলামাবাদ এমওইউ মূলত ‘যুদ্ধ অবসানের’ ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, বর্তমান পর্যায়ে পরমাণু ইস্যু নিয়ে কোনো আলোচনার সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে ইরানের এই দাবি মার্কিন প্রশাসনের বক্তব্যের সরাসরি বিপরীত। ওয়াশিংটন শুরু থেকেই বলে আসছে যে এই চুক্তির কেন্দ্রীয় শর্ত হলো ইরানের পরমাণু বিষয়ক প্রতিশ্রুতি।
এর আগে শনিবার সকালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছিলেন যে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি শান্তি চুক্তির ‘সবচেয়ে কাছাকাছি’ রয়েছে এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এটি চূড়ান্ত হতে পারে। তিনি জানিয়েছিলেন, পাকিস্তান এই চুক্তির ইলেকট্রনিক সই এবং পরবর্তী সপ্তাহে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মধ্যস্থতায় প্রধান ভূমিকা পালন করে আসছে পাকিস্তান।





