ইরানের ‘খাতাম আল-আনবিয়া’ সামরিক কমান্ডের এই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নির্দেশিত পথ বিচ্যুতি বা ইরানের নৌ-প্রটোকল লঙ্ঘন করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। এতে ওই ট্যাংকারগুলোর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। এছাড়া হরমুজ প্রণালির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমানের উপস্থিতিকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছে তেহরান। ইরান সাফ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো ধরনের হস্তক্ষেপকে সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হিসেবে দেখা হবে এবং এর ‘দ্রুত ও দাঁতভাঙা’ জবাব দেয়া হবে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টকম মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে এক বৈঠকে হরমুজ প্রণালিতে ‘অবাধ বাণিজ্য প্রবাহ’ বজায় রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে। ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থানই ইরানকে ক্ষুব্ধ করেছে। বর্তমানে ইরান তাদের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফন প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যিনি গত ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া যুদ্ধের শুরুর দিকেই নিহত হন।
একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির আওতায় গত ৬০ দিন ধরে কোনো মাশুল ছাড়াই জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিলেও এখন ইরান বলছে, তারাই জাহাজের গতিপথ নিয়ন্ত্রণ করবে এবং ভবিষ্যতে যাতায়াত ফি বা চার্জ আদায় করবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও অনেক আরব দেশ এই ফির বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করেছে। ওমান ও জাতিসংঘের একটি সংস্থা ওমান উপকূলের কাছে নতুন রুট চালুর চেষ্টা করলে গত সপ্তাহান্তে ওই অঞ্চলে বেশ কিছু হামলার ঘটনা ঘটে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।





