
ইরানে হামলার প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের; পারমাণবিক ইস্যুতে মাথা নত করতে নারাজ তেহরান
মধ্যপ্রাচ্যে বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর পর জর্ডান ঘাঁটিতেও ৬০টির বেশি যুদ্ধ-বিমান মোতায়েন করে ইরানে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু পারমাণবিক আলোচনার মধ্যে কোনো ধরণের চাপের কাছেই ইরান মাথা নত করবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। এদিকে সরকারবিরোধী আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে নেয়ার ৪০ দিন পর নিহত বিক্ষোভকারীদের স্মরণে তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ করেছেন হাজার হাজার শিক্ষার্থী।

ইরানে হামলার সম্ভাবনা: তেলের বাজারে নতুন অস্থিরতা, চাপ বাড়বে মার্কিনিদের ওপর
যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালায়, তাহলে বৈশ্বিক তেলের বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। দেশটির হাতে রয়েছে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম প্রমাণিত তেল মজুত এবং গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালির উত্তরাংশের নিয়ন্ত্রণ। ফলে যেকোনো সংঘাতের প্রভাব সরাসরি তেলের দামে পড়তে পারে। সম্প্রতি মার্কিন সংবাদসংস্থা সিএনএনের এক বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বিশ্বজুড়ে ইফতারের বৈচিত্র্য: ইউনেস্কোর স্বীকৃতি ও বিভিন্ন দেশের ঐতিহ্যবাহী খাবার
রমজান মাস মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে পবিত্র সময় (Holy Month of Ramadan)। এই মাসে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থাকেন। মাগরিবের আজান (Maghrib Adhan) নামাজের সঙ্গে সঙ্গে মুখে খাবার তুলে রোজা ভাঙার এই মুহূর্তকে বলা হয় ‘ইফতার’ (Iftar)।

পারমাণবিক চুক্তিতে রাজি হতে ইরানকে সময়সীমা বেধে দিলো ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প স্থানীয় সময় গতকাল (বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি) ইরানকে সতর্ক করে বলেছেন, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চুক্তি না হলে ভয়ানক পরিণতি ঘটতে পারে। তিনি একটি সময়সীমা ১০-১৫ দিন সময় দিয়েছেন। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

ইরানের বন্দর আব্বাসে রুশ রণতরী, বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা
ইরানের সঙ্গে সামরিক মহড়ায় অংশ নিতে রণতরী পাঠিয়েছে রাশিয়া। এরই মধ্যে বন্দর আব্বাসে পৌঁছেছে ‘স্টোইকি’ নামের রুশ স্টেরেগুশচি-ক্লাস রণতরীটি। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে বহু শক্তির সামরিক উপস্থিতি জোরদার হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে।

পরমাণু চুক্তির মূল নীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার দাবি ইরান
জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার অগ্রগতি এবং পরমাণু চুক্তির মূল নীতিতে সমঝোতার দাবি করেছে ইরান। তবে ট্রাম্পের বেধে দেয়া সব ‘রেড লাইনে’ সম্মতি দেয়নি তেহরান, অভিযোগ মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের। যদিও জোর করে ইসলামী শাসনতন্ত্রের পতন ঘটানো যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার।

সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দ্বিতীয় দফার পারমাণবিক আলোচনা
সম্প্রতি বিশ্বে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি বিষয়-একটি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ইরানের পরমাণু ইস্যু। দুটি বিষয় মীমাংসায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেয়া উদ্যোগ পররাষ্ট্র নীতি জগতের অনেককেই মাথা চুলকাতে বাধ্য করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় জেনেভায় একইদিনে ইরানের পারমাণবিক অচলাবস্থা এবং ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ নিয়ে বৈঠক হয়। এর মধ্যে কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলা দ্বিতীয় দফার পারমাণবিক আলোচনা।

হরমুজ প্রণালীতে ইরানের সামরিক মহড়া শুরু
জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় হরমুজ প্রণালীতে সামরিক মহড়া শুরু করেছে ইরান। দেশটির নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে ২৪ ঘণ্টা পূর্ণ নজরদারির কথা জানানো হয়েছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতে আগ্রহী ইরান। মঙ্গলবার জেনেভা বৈঠকের আগে এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। আলোচনায় পরোক্ষভাবে যুক্ত থাকার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। দ্রুত আলোচনা শেষ করতে তোড়জোড় শুরু করেছে তেহরানও। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, এবারের আলোচনায় সব ধরনের বিশেষজ্ঞ পাঠিয়েছে তেহরান।

দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র কার্যক্রম ইস্যুতে ইরান-ইসরাইল বিরোধ, মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র
পারমাণবিক অবকাঠামো ধ্বংস এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র কার্যক্রম বন্ধে রাজি না হলে ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি নয়— যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এমন আবদার করেছে ইসরাইল। এসব ইস্যুতে তেহরানকে রাজি করাতে না পারায় দফায় দফায় আলোচনা করেও চুক্তিতে পোঁছাতে পারছে না ওয়াশিংটন। কারণ নিজেদের নিরাপত্তা ও সামরিক সক্ষমতাকে জলাঞ্জলি দেবে না বলে সাফ জানিয়েছে তেহরান। এ অবস্থায় যুদ্ধ শঙ্কার মধ্যেই আজ (সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ফের আলোচনায় বসতে যাচ্ছে ইরান।

ইরানের সমর্থনে ইউরোপের কয়েকটি দেশে বিক্ষোভ
ইরানে সাম্প্রতিক বিক্ষোভের সমর্থনে জার্মানির মিউনিখে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। লাখ লাখ মানুষের এই বিক্ষোভে দেশটির বর্তমান শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তনে স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা। ইরানের নির্বাসিত নেতা রেজা পাহলভির সমর্থনে বিক্ষোভে উত্তাল কানাডার টরন্টো এবং যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেলস।

বাড়ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা: কঠোর অবস্থানে ওয়াশিংটন, পাল্টা জবাব দিতে প্রস্তুত তেহরান
ইরানের সঙ্গে আর কোনো আলোচনা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম। তবে ওয়াশিংটন নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে পারমাণবিক চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য প্রস্তুত বলে জানিয়েছে তেহরান। তবে ইরানকে আর সময় দেয়া উচিত হবে না বলে মন্তব্য করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এরইমধ্যে ইরানে সপ্তাহব্যাপী অভিযান চালানোর জন্য মার্কিন সেনাবাহিনী প্রস্তুত হচ্ছে বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে রয়টার্স। পাল্টা জবাব দিতে হাজার হাজার মিসাইল নিয়ে প্রস্তুত বলে আগে থেকেই হুঁশিয়ার করে রেখেছে তেহরানও।

ইরানে ডলার ঘাটতি সৃষ্টির কথা স্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের নাগরিকদের সরকারবিরোধী বিক্ষোভে সামিল করতে কৌশলে দেশটিতে ডলার ঘাটতি সৃষ্টি করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি এটি স্বীকার করেছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে দীর্ঘদিন ধরে ইরানি মুদ্রা রিয়ালের দরপতন ঘটাতে কাজ করছিল মার্কিন অর্থ বিভাগ। এ লক্ষ্যে দেশটির প্রধান রপ্তানিমুখী তেল শিল্পের ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ওয়াশিংটন।