
যুক্তরাষ্ট্রে আসছে বিপুলসংখ্যক খালি তেলবাহী ট্যাংকার, দাবি ট্রাম্পের
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, বিপুলসংখ্যক খালি তেলবাহী ট্যাংকার এখন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে আসছে। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে। তবে ইরান এই দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন সরাতে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করছে বলে দাবি ট্রাম্পের
ট্রুথ সোশ্যালের পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের এখনো বাকি থাকা একমাত্র “হুমকি” হলো “সমুদ্র মাইন”, যা তাঁর ভাষায় ইরানি জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে ফেলেছে।

হরমুজ প্রণালিতে বসানো মাইন খুঁজে পাচ্ছে না ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি
ইরান হরমুজ প্রণালিতে বসানো সব মাইন খুঁজে না পাওয়ায় এবং সেগুলো সরানোর সক্ষমতা না থাকায় প্রণালিতে আরও জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে পারেনি বলে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অস্বীকৃতি: হোয়াইট হাউস
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা সংবাদ প্রতিবেদনগুলো খারিজ করে দিয়েছেন, যাতে বলা হয়েছিল ওয়াশিংটন ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করতে সম্মত হয়েছে। তুরুস্কের টিআরটি প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

আলোচনার আগে কাতারে ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্মতি: ইরানি সূত্র
পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আলোচনার আগে কাতারসহ বিভিন্ন বিদেশি ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানি সম্পদ ছাড়তে যুক্তরাষ্ট্র সম্মত হয়েছে বলে আজ (শনিবার, ১১ এপ্রিল) রয়টার্সকে জানিয়েছেন ইরানের এক জ্যেষ্ঠ সূত্র। তিনি একে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানোর প্রচেষ্টার গুরুত্বের সঙ্গে ইঙ্গিত হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তুরকিয়া টুডে প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইরান সহযোগিতা না করলেও খুব দ্রুতই হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করা হবে: ট্রাম্প
ইরান সহযোগিতা করুক বা না করুক, খুব দ্রুতই হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইসলামাবাদে ওয়াশিংটন-তেহরানের আলোচনা শুরুর আগে এই হুমকি দিলেন তিনি। এমনকি ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে একটি ভালো চুক্তির ৯৯ শতাংশ শর্তই হলো দেশটিকে পারমাণবিক অস্ত্র মুক্ত রাখা।

দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধবিরতির আশা; পাকিস্তানে আলোচনায় বসছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র
তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে এক নজিরবিহীন কূটনৈতিক আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যা আগে কখনো দেখা যায়নি। বর্তমানে উভয় পক্ষই এই কূটনৈতিক যোগাযোগের গুরুত্ব ও ঝুঁকির বিষয়ে সচেতন। তারা এই আলোচনার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

আলোচনার টেবিলে ওয়াশিংটন-তেহরান; প্রশংসায় ভাসছে পাকিস্তান
হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক না হওয়ায় এখনও জ্বালানি সংকটে ধুঁকছে পুরো বিশ্ব। এ অবস্থায় সবার চোখ ইসলামাবাদের দিকে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন-তেহরান প্রকৃত শান্তির পথ বেছে নিতে সক্ষম হবে, নাকি দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যাবে, সেই শঙ্কায় বাড়ছে উদ্বেগ। তবে যুদ্ধের ময়দান থেকে দুই দেশকে আলোচনার টেবিলে নিয়ে আসায় প্রশংসায় ভাসছে পাকিস্তান।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিরতিতে হরমুজ পার হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় ‘বাংলার জয়যাত্রা’
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি থাকা সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পাওয়ায় বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ শারজাহে ফিরছে বলে আজ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক।

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে সীমাবদ্ধতা, অভিযানে ইচ্ছুক ন্যাটো
যুদ্ধবিরতির পরও লেবাননে ইসরাইলি হামলা বন্ধ না হওয়া হরমুজ প্রণালিকে প্রায় অচল করে রেখেছে ইরান। দিনে ১৫টি জাহাজ চলাচলে তেহরান সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে বলেও খবর প্রকাশ করেছে রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা তাস। যুদ্ধের আগে প্রণালিটি দিয়ে ১২০-১৪০টি জাহাজ চলাচল করত। এ অবস্থায় বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের দ্রুত সমাধানের আশা ম্লান হয়ে পড়েছে। প্রয়োজন হলে হরমুজ প্রণালিতে অভিযানের জন্য ইচ্ছুক বলে জানিয়েছে ন্যাটো।

হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ বাড়াতে চাইছে ইরান: আইএসডব্লিউ
যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ বাড়াতে হরমুজ প্রণালির সামুদ্রিক চলাচলের ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার পদক্ষেপ নিচ্ছে ইরান—এমন দাবি করেছে থিঙ্কট্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ার (আইএসডব্লিউ)। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইরানি হামলায় সৌদির তেল উৎপাদনে ধাক্কা; কমেছে ৭ লাখ ব্যারেল সক্ষমতা
সৌদি আরব বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দেশটির জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর ইরানের চালানো হামলায় একজন নিহত হয়েছেন ও তেল উৎপাদন সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশটির পাইপলাইনের পাম্পিং স্টেশনে হামলায় দৈনিক ৭ লাখ ব্যারেল পাম্পিং সক্ষমতা কমেছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক সিএনএ-এর প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।