
গাজার যুদ্ধবিরতি চুক্তি আবারও আলোচনায়, আগ্রাসন বাড়িয়েছে ইসরাইল
গাজার ঝুলে থাকা যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আবারও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে কাতারে। যদিও প্রথম দফার যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতেই থেমে উপত্যকা আর অবরুদ্ধ পশ্চিমতীরে আগ্রাসন বাড়িয়েছে ইসরাইল। এরমধ্যেই, মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় ইসরাইলি জাহাজে আবারও হামলার হুমকি দিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হামাস-ফিলিস্তিনিদের ট্রাম্পের সতর্কবার্তা
ট্রাম্পের কথা না শুনলে হামাসের সব সদস্যকে মরতে হবে, ফিলিস্তিনি জনগণ যদি হামাসকে সমর্থন জানায় তাহলে গাজা উপত্যকা পরিণত হবে নরকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হামাস ও ফিলিস্তিনিদের এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধ বন্ধে হামাসের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা বসার বিরল এক উদ্যোগ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। এদিকে নতুন সামরিক প্রধান নিয়োগ দিয়ে নতুন করে পরিকল্পনা সাজাচ্ছে ইসরাইল।

গাজা পুনর্গঠনে ৫ বছর মেয়াদী পরিকল্পনায় একমত আরব রাষ্ট্র
পাঁচ বছরে গাজা পুনর্গঠনে মিশরের পরিকল্পনার সঙ্গে একমত হয়েছে আরব রাষ্ট্রগুলো। হামাস প্রস্তাবটিকে স্বাগত জানালেও কড়া নিন্দা জানিয়েছে ইসরাইল। তীব্র সমালোচনা করেছে হোয়াইট হাউজও। অন্যদিকে প্রস্তাবটিকে স্বাগত জানিয়ে দ্রুত যুদ্ধবিরতির আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।

ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই সমবেত হয়ে ইফতার করেন গাজাবাসী
ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই পবিত্র রমজানের আনুষ্ঠানিকতা সারছেন যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার বাসিন্দারা। গাজার রাফাহ অঞ্চলে প্রায় পাঁচ হাজার ফিলিস্তিনি প্রতিদিন সমবেত হয়ে ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই ইফতার করেন। সাময়িক যুদ্ধবিরতির কারণে আপাতত হামলা বন্ধ থাকলেও, উপত্যকাটিতে নিত্যপণ্যের দাম এখনও আকাশছোঁয়া। এদিকে দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে শঙ্কায় আছেন গাজাবাসী।

কাল শেষ হচ্ছ হামাস-ইসরাইল যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপ
শেষ হচ্ছে হামাস-ইসরাইল যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপ। এ চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে আলোচনায় এরইমধ্যে মিশরের কায়রোতে জড়ো হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও কাতারের প্রতিনিধিরা। আসতে পারে চূড়ান্তভাবে যুদ্ধ বন্ধের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত।

গাজায় আবারো হামলা চালানোর হুমকি নেতানিয়াহুর
গাজায় যেকোনো মুহূর্তে ফের হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিইয়ামিন নেতানিয়াহু। শর্ত অনুযায়ী প্রথম ধাপের বন্দি বিনিময় প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে।

যেকোনো সময়ে ভেস্তে যেতে পারে ইসরাইল-হামাস যুদ্ধবিরতি চুক্তি
হামাসের পক্ষ থেকে পরবর্তী ধাপে জিম্মিদের মুক্তির নিশ্চয়তা দেয়া না হলে শর্ত অনুযায়ী ফিলিস্তিনি বন্দিদের রেহাই করবে না ইসরাইল।

ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি স্থগিত করেছে ইসরাইল
যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে জিম্মিদের মুক্তির নিশ্চয়তা পাওয়ার আগ পর্যন্ত ৬২০ ফিলিস্তিনি বন্দিকে রেহাই দিচ্ছে না ইসরাইল। পাশাপাশি জিম্মিদের জন্য অবমাননাকর এমন সব ধরনের আয়োজন বন্ধ করতে হবে বলে জানিয়েছে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর অফিস। প্রতিক্রিয়ায় হামাস জানিয়েছে, ইসরাইলের এই সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে নেতানিয়াহু প্রশাসন আবারও সংঘাত চায়। এদিকে হামাসের কবল থেকে মুক্তি পাওয়া ছয় জিম্মির স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

অস্ত্রবিরতির আওতায় হামাস-ইসরাইলের শেষ বন্দিবিনিময় আজ
গাজায় চলমান অস্ত্রবিরতির আওতায় হামাস-ইসরাইলের শেষ বন্দিবিনিময় আজ (শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি)। এক দশক আগে গাজায় অনুপ্রবেশের পর আটক দুই ব্যক্তিসহ মোট ছয় জিম্মিকে মুক্তি দিচ্ছে হামাস। বিনিময়ে আজই জন্মভূমিতে ফিরবেন ইসরাইলে বন্দি ৬০০- এর বেশি ফিলিস্তিনি। এদিকে গাজা উপত্যকার ভবিষ্যৎ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনার বিকল্প নিয়ে সৌদি আরবে চলছে আরব নেতাদের বৈঠক।

আজ ৬ ইসরাইলি জিম্মিকে মুক্তি দিতে যাচ্ছে হামাস
যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী আজ (শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি) ৬ ইসরাইলি জিম্মিকে মুক্তি দিতে যাচ্ছে হামাস। বিনিময়ে ইসরাইল মুক্তি দেবে ৬০২ ফিলিস্তিনি কারাবন্দীকে। যুদ্ধবিরতির পর ৬ষ্ঠ দফায় বন্দিবিনিময় করছে দুপক্ষ। এর আগে বৃহস্পতিবার পরিচয়হীন এক ব্যক্তির মরদেহ হস্তান্তরের অভিযোগ উঠে হামাসের বিরুদ্ধে।

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা পুনর্নির্মাণে সময় লাগবে ১০ বছর
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার পুনর্নির্মাণে ব্যয় হবে পাঁচ হাজার ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার। আর এতে সময় লাগবে কমপক্ষে ১০ বছর। প্রথম তিন বছরেই প্রয়োজন হবে দুই হাজার কোটি ডলার। জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য। এদিকে ধ্বংসস্তূপ সরানোর যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম গাজায় প্রবেশে বাধা দিচ্ছে ইসরাইলি প্রশাসন।

শনিবার আরো তিন ইসরাইলি বন্দিকে মুক্তি দেবে হামাস
নির্ধারিত চুক্তি অনুযায়ী শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আরো তিন ইসরাইলি বন্দিকে মুক্তি দিতে যাচ্ছে হামাস। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম দ্য হারেৎজ। হামাস যদি চুক্তি লঙ্ঘন করে তবে গাজাকে দোজখে পরিণত করার হুঁশিয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর।