ইসরাইলি সামরিক আগ্রাসনে গেল প্রায় দেড় বছরে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে গাজা উপত্যকা। এই সময়ে গাজার অর্থনীতি সংকুচিত হয়েছে ৮৩ শতাংশ। বেকারত্ব পৌঁছেছে ৮০ শতাংশে। দারিদ্রতার হার বেড়েছে ৩৬ শতাংশ। জানুয়ারির ১৯ তারিখ যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছেন ফিলিস্তিনিরা।
গেল মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং বিশ্বব্যাংকের নতুন প্রতিবেদন অনুযায়ী, গাজা পুনর্গঠন ও পুনর্নির্মাণে প্রয়োজন হবে পাঁচ হাজার ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার। ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর পর্যন্ত যুদ্ধে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে চার হাজার ৯০০ কোটি ডলার।
গবেষকদের ধারণা, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের পুনরুদ্ধার ও পুনর্নির্মাণে সময় লাগবে কমপক্ষে ১০ বছর। এর মধ্যে প্রথম তিন বছরেই খরচ হবে মোট ২ হাজার কোটি মার্কিন ডলার। ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো নির্মাণ ও আবাসিক সংকট মেটাতে খরচ হবে প্রায় ৪ হাজার কোটি মার্কিন ডলার।
এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য অবিলম্বে মানবিক সহায়তার পাশাপাশি পুনর্গঠনের নানা উপকরণ প্রয়োজন। অবিস্ফোরিত অস্ত্র এবং লাখ লাখ টন ধ্বংসস্তূপ অপসারণে অপেক্ষা করতে হবে বছরের পর বছর।
এদিকে গাজার ধ্বংসস্তূপ সরাতে ব্যবহৃত ভারী যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম মিশরের রাফা সীমান্তে আটকে আছে। গাজায় প্রবেশে এখনো অনুমতি মেলেনি ইসরাইলি প্রশাসনের।