শনিবার (১ মার্চ) সূর্যাস্তের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে হামাস-ইসরাইল যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপ। পরস্পরের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগের মধ্য দিয়েই ইতি টানলো তা। প্রথম ধাপে, গত ছয় সপ্তাহে ধাপে ধাপে ইসরাইলের ৩৩ বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে হামাস। বিনিময়ে ইসরাইলি কারাগার থেকে ছাড়া পেয়েছেন প্রায় ২ হাজার ফিলিস্তিনি।
এবার সবার নজর চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের দিকে। অনিশ্চয়তার মধ্যেই শুক্রবার মিশরের কায়রোতে দ্বিতীয় ধাপের হামাস-ইসরাইল যুদ্ধবিরতি চুক্তি আলোচনা পুনরায় শুরু হয়েছে। যেখানে অংশ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল, কাতারের প্রতিনিধিরা। এবারের আলোচনার মধ্য দিয়ে শেষ হতে যাচ্ছে রক্তক্ষয়ী গাজা যুদ্ধ- এমনটাই প্রত্যাশা মধ্যস্ততাকারীদের।
মিশরের রাষ্ট্রীয় তথ্য পরিষেবা জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের রূপরেখা তৈরিই এবারের আলোচনার মূল উদ্দেশ্য। যেখানে নির্ধারণ করা হবে, দ্বিতীয় ধাপে মোট কতজন বন্দিকে মুক্তি দেবে হামাস, বিনিময়ে ইসরাইল কত জন ফিলিস্তিনিকে ছাড়বে এবং এই চুক্তির মেয়াদকাল কেমন হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ২০২৩ সালে ৭ অক্টোবর হামাস-ইসরাইল সংঘাত শুরুর দিন নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তেল আবিব। ইসরাইলের প্রায় ২শ' বন্দিকে আটকের বিষয়ে আইডিএফ সেনাদেরকেই দায়ী করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
এদিকে গাজা যুদ্ধ বন্ধ করে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে কাজ করছে ট্রাম্প প্রশাসন। শুক্রবার হোয়াইট হাউজে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘গাজা ও মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে কাজ করছি। এ অঞ্চলে যুগ যুগ ধরে সংকট চলমান। যতই কঠিন কাজ হোক, আশপাশের দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে একটা সুন্দর সমাধান আসবে।’
এর আগে চার ইসরাইলি জিম্মির মরদেহ হস্তান্তরের বিনিময়ে ছয় শতাধিক ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তির মধ্য দিয়ে শেষ হয় প্রথম ধাপের বন্দিবিনিময়। এবার দ্বিতীয় ধাপের অপেক্ষায় লাখো ফিলিস্তিনি।