
গাজার যুদ্ধবিরতি চুক্তি আবারও আলোচনায়, আগ্রাসন বাড়িয়েছে ইসরাইল
গাজার ঝুলে থাকা যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আবারও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে কাতারে। যদিও প্রথম দফার যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতেই থেমে উপত্যকা আর অবরুদ্ধ পশ্চিমতীরে আগ্রাসন বাড়িয়েছে ইসরাইল। এরমধ্যেই, মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় ইসরাইলি জাহাজে আবারও হামলার হুমকি দিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা।

গাজা ইস্যুতে হামাসকে শেষবারের মতো সতর্ক করলেন ট্রাম্প
গাজায় যুদ্ধবিরতি আর বন্দিদের মুক্তি নিয়ে এবার হামাসকে শেষবারের মতো সতর্ক করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও হামাসের অভিযোগ, যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করছে ইসরাইল। সশস্ত্র গোষ্ঠীটির হুমকি, উপত্যকায় আগ্রাসন চালালে বন্দিদের মৃত্যুর কারণ হবে তেলআবিব। এমন অবস্থায় গাজার সাধারণ মানুষের দাবি, গাজা ইস্যুতে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করা উচিত ট্রাম্পের।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হামাস-ফিলিস্তিনিদের ট্রাম্পের সতর্কবার্তা
ট্রাম্পের কথা না শুনলে হামাসের সব সদস্যকে মরতে হবে, ফিলিস্তিনি জনগণ যদি হামাসকে সমর্থন জানায় তাহলে গাজা উপত্যকা পরিণত হবে নরকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হামাস ও ফিলিস্তিনিদের এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধ বন্ধে হামাসের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা বসার বিরল এক উদ্যোগ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। এদিকে নতুন সামরিক প্রধান নিয়োগ দিয়ে নতুন করে পরিকল্পনা সাজাচ্ছে ইসরাইল।

গাজায় দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি চায় হামাস
চুক্তি নবায়ন ছাড়াই গাজায় প্রথম ধাপের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ায় উপত্যকায় যেকোনো সময় সামরিক অভিযান শুরু করতে পারে ইসরাইল, এমন আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বাসিন্দাদের মধ্যে। ইসরাইল বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় রমজানজুড়ে যুদ্ধবিরতি চালিয়ে যেতে রাজি তেল আবিব। সেক্ষেত্রে শর্ত হচ্ছে, মুক্তি দিতে হবে বন্দিদের। অন্যদিকে হামাস বলছে, গাজায় দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি চায় তারা।

গাজায় যুদ্ধবিরতি: দ্বিতীয় দফায় আসেনি কোনো সিদ্ধান্ত
প্রথম ধাপের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষের পর গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে দ্বিতীয় দফায় আসেনি কোনো সিদ্ধান্ত। হামাসের শর্ত মেনে গাজা থেকে পুরোপুরি সেনা প্রত্যাহার না করে উল্টো সামরিক উপস্থিতি জোরদারের পরিকল্পনা করছে তেল আবিব। এই যুদ্ধকে উস্কে দিতে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে তেলআবিবকে দিচ্ছে আরও ৩০০ কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা।

গাজায় যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ কার্যকরের পক্ষে নয় ইসরাইল: হামাস
ইসরাইল গাজায় যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ কার্যকরের পক্ষে নয় বলে অভিযোগ করছে হামাস। তাদের দাবি, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর পক্ষে নন প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু। এমনকি ডানপন্থী ইসরাইলিরাও মনে করেন, সাময়িক অস্ত্রবিরতি গাজা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারবে না। এদিকে, হামাসের পর এবার ইসরাইলের বিরুদ্ধে গাজায় অস্ত্রবিরতির শর্ত ভঙ্গের অভিযোগ তুলছেন মধ্যপ্রাচ্য বিশ্লেষকরা।

কাল শেষ হচ্ছ হামাস-ইসরাইল যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপ
শেষ হচ্ছে হামাস-ইসরাইল যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপ। এ চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে আলোচনায় এরইমধ্যে মিশরের কায়রোতে জড়ো হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও কাতারের প্রতিনিধিরা। আসতে পারে চূড়ান্তভাবে যুদ্ধ বন্ধের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত।

মরদেহ হস্তান্তরের পরই ৬ শতাধিক ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দিলো ইসরাইল
হামাস চার ইসরাইলি জিম্মির মরদেহ হস্তান্তরের পরই ৬ শতাধিক ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ। এর মধ্য দিয়ে শেষ হলো প্রথম ধাপের বিন্দিবিনিময়। ৬ সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি আগামী পহেলা মার্চ শেষ হলেও, এখনো আলোর মুখ দেখেনি দ্বিতীয় ধাপের চুক্তি। এদিকে, ট্রাম্প বলছেন এ বিষয়ে ইসরাইলকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

৬২০ ফিলিস্তিনি বন্দির বিনিময়ে ৪ ইসরাইলির মরদেহ ফেরত দেবে হামাস
৬২০ ফিলিস্তিনি কারাবন্দির বিনিময়ে ৪ ইসরাইলি জিম্মির মরদেহ ফেরত দিতে সম্মত হয়েছে হামাস। আজ (বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি) সম্পন্ন হতে পারে বিনিময় প্রক্রিয়া। চুক্তি অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ বাড়ি ও তাঁবু সরবরাহ না করায় উপত্যকায় হাইপোথার্মিয়ায় আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছে ৬ নবজাতক। এদিকে, ফিলিস্তিনিদের ওপর আগ্রাসনকে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদের সঙ্গে তুলনা করেছেন ইসরাইলের সাবেক মধ্যস্থতাকারী।

গাজায় আবারো হামলা চালানোর হুমকি নেতানিয়াহুর
গাজায় যেকোনো মুহূর্তে ফের হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিইয়ামিন নেতানিয়াহু। শর্ত অনুযায়ী প্রথম ধাপের বন্দি বিনিময় প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে।

যেকোনো সময়ে ভেস্তে যেতে পারে ইসরাইল-হামাস যুদ্ধবিরতি চুক্তি
হামাসের পক্ষ থেকে পরবর্তী ধাপে জিম্মিদের মুক্তির নিশ্চয়তা দেয়া না হলে শর্ত অনুযায়ী ফিলিস্তিনি বন্দিদের রেহাই করবে না ইসরাইল।

ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি স্থগিত করেছে ইসরাইল
যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে জিম্মিদের মুক্তির নিশ্চয়তা পাওয়ার আগ পর্যন্ত ৬২০ ফিলিস্তিনি বন্দিকে রেহাই দিচ্ছে না ইসরাইল। পাশাপাশি জিম্মিদের জন্য অবমাননাকর এমন সব ধরনের আয়োজন বন্ধ করতে হবে বলে জানিয়েছে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর অফিস। প্রতিক্রিয়ায় হামাস জানিয়েছে, ইসরাইলের এই সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে নেতানিয়াহু প্রশাসন আবারও সংঘাত চায়। এদিকে হামাসের কবল থেকে মুক্তি পাওয়া ছয় জিম্মির স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।