বড় লক্ষ্যে খেলতে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায় বাংলাদেশ। তানজিদ শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন। স্পেন্সার জনসনের করা দ্বিতীয় ওভার থেকে বাংলাদেশ তোলে ২২ রান। যদিও সেই ছন্দ বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। তানজিদ ১৫ বলে ৩০ রান করে রেনশকে তার হাতেই ক্যাচ দিয়ে আউট হন। পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেটে ৭২ রান তোলে বাংলাদেশ। যদিও পাওয়ার প্লের পরই ৯ বলে ১৫ রান করে আউট হয়ে যান সৌম্য সরকার।
তৃতীয় উইকেটে বাংলাদেশের ইনিংস টানেন সাইফ ও পারভেজ হোসেন ইমন। দুজনে মিলে গড়ে ৫৩ রানের জুটি। আর তাতেই ম্যাচে শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। তবে ইমনের বিদায়ে এই জুটি ভাঙে। বড় শটের নেশায় ২২ বলে ৩৬ রান করে অ্যারন হার্ডির বলে মিচেল মার্শের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এরপর ফিরেছেন সাইফও। এই ওপেনার ৩৩ বলে ৪২ রানের ধীর গতির ইনিংস খেলে ফেরেন।
যদিও হৃদয় ও শামীম পাটোয়ারী মিলে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেন। শেষ ৪ ওভারে ম্যাচ জিততে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৪৪ রান। বড় শট খেলতে গিয়ে উইকেট দিয়ে আসেন শামীমও। তিনি ৭ রান করে নাথান এলিসের শিকার হন। এরপর হৃদয় ও সাকলাইন লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশকে জেতাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত হৃদয় ২২ বলে ৩৫ রান করে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন। ১১ বলে ১৩ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন সাকলাইন।
আরও পড়ুন:
এর আগে, টসে জিতে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি অস্ট্রেলিয়ার। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই নাসুম আহমেদের বলে সুইপ খেলতে গিয়ে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার জশ ইংলিস। ফেরার আগে ৬ বলে ১১ রান করেন তিনি। এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি কুপার কনোলি। সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে সেঞ্চুরির পর প্রথম টি–টুয়েন্টিতে করেছিলেন ৪৭ রান।
তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ১ রানেই নাহিদ রানার বলে স্লিপে সাইফ হাসানকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। এরপর অজি অধিনায়ক মিচেল মার্শকে বিদায় করেছেন মুস্তাফিজুর রহমান। ১৯ বলে ২০ রান করে মিড উইকেটে সাইফ হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন মার্শ। তারা ৪৪ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে বড় ধাক্কা খায়। তবে এরপর পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন টিম ডেভিড ও ম্যাট রেনশ।
এদিন ৩০ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন রেনশ। অন্যদিকে একটু রয়ে সয়ে ব্যাটিং করেছেন ডেভিড। দুজনে ৫০ বলে ৯৭ রানের জুটি গড়েন। ডেভিডকে ফিরিয়ে এই জুটি ভেঙেছেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন। ডেভিড ২৬ বলে ৪৫ রান করে হাফ সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপে পড়েছেন। এরপর নাসুম আহমেদ এলবিডব্লিউ করে আউট করেছেন ৮ রান করা নিখিল চৌধুরীকে।
ডেভিড ফিরলেও জোয়েল ডেভিসকে নিয়ে অজিদের ইনিংস টানেন রেনশ। রেনশ শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৫২ বলে ৮৯ রান নিয়ে। আর ডেভিস মাঠ ছাড়েন ১৩ রান নিয়ে। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন নাসুম। তিনি মাত্র ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট পান। বাংলাদেশের আর কোনো বোলারই দুই উইকেট পাননি।




