ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের সুবিধার্থে আগামীকাল ২৬ জুন ২০২৬-এর সেহরি ও ইফতারের সঠিক সময়সূচি এবং আশুরার রোজার নিয়ম নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:
আরও পড়ুন:
একনজরে আজকের তাহাজ্জুদ, সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি: ২৬ জুন ২০২৬ (Tahajjud, Sehri & Iftar Time Table at a Glance)
ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের (Islamic Foundation Bangladesh) তথ্য অনুযায়ী এবং ঢাকার সময়ের ওপর ভিত্তি করে আগামীকালের রোজার সময়সূচি নিচে দেওয়া হলো (Sehri and Iftar Time Today: 25 June 2026):
তারিখ ও বার
(Date & Day)তাহাজ্জুদ ও সেহরির শেষ সময়
(Tahajjud & Sehri Last Time)ইফতারের সময়
(Iftar Time)
২৫ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার
(25 June 2026, Thursday)ভোর ০৩:৪৪ মিনিট
(3:44 AM)সন্ধ্যা ০৬:৫৩ মিনিট
(6:53 PM)
*সতর্কতা: এটি ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য প্রযোজ্য। ঢাকার বাইরের বিভিন্ন জেলার জন্য দূরত্ব অনুযায়ী সেহরি ও ইফতারের সময় ১ থেকে সর্বোচ্চ ১১ মিনিট পর্যন্ত কম-বেশি হতে পারে (Sehri and Iftar time table for all districts Bangladesh)। তাই স্থানীয় মসজিদের আজান ও সময়সূচির সাথে মিলিয়ে নেওয়ার অনুরোধ রইল।
আরও পড়ুন:
আশুরার রোজা কয়টি এবং কেন আগামীকাল থেকে শুরু? (How many fasts for Ashura and its significance)
ইসলামি শরিয়তের নির্দেশনা অনুযায়ী, ইহুদিদের সংস্কৃতির সাথে যেন মুসলমানদের আমলের সাদৃশ্য না হয়, সেজন্য মহররমের ১০ তারিখের (পবিত্র আশুরা) মূল রোজার পাশাপাশি তার আগে বা পরে আরও একটি রোজা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ আশুরার রোজা রাখতে হয় ২টি (Two fasts of Ashura Muharram)।
সেই হিসেবে আগামীকাল ৯ই মহররম (বৃহস্পতিবার) থেকে প্রথম রোজাটি শুরু হচ্ছে। যারা ২টি রোজা রাখতে চান, তারা আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) এবং পরদিন শুক্রবার (২৬ জুন, ১০ই মহররম) রোজা রাখবেন। অনেকে আবার ১০ ও ১১ই মহররম (শুক্র ও শনিবার) মিলিয়েও ২টি রোজা রেখে থাকেন।
আরও পড়ুন:
আশুরার রোজার নিয়ত ও ফজিলত (Intention and rewards of Ashura fasting)
নফল বা ঐচ্ছিক ইবাদতের ক্ষেত্রে মনে মনে রোজার সংকল্প বা নিয়ত করাই যথেষ্ট (Roja niyat bangla)। সেহরি খাওয়ার মাধ্যমে রোজার নিয়ত পূর্ণ হয়ে যায়। রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজানের ফরজ রোজার পর মহররমের এই রোজাকে সর্বোত্তম রোজা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
পবিত্র আশুরার এই বরকতময় দিনে মহান আল্লাহ তাআলা বনি ইসরাইলকে ফেরাউনের অত্যাচার থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন এবং ফেরাউনকে লোহিত সাগরে ডুবিয়ে ধ্বংস করেছিলেন। এই ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যপূর্ণ দিনটিকে স্মরণ করে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অন্যতম সেরা মাধ্যম হলো এই রোজা পালন করা। তাই আসুন, সময়মতো সেহরি ও ইফতার সম্পন্ন করে এই মহান আমলটি নিজেদের জীবনে বাস্তবায়ন করি।
আরও পড়ুন:



