মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার দুর্নীতি করে রাষ্ট্রের অর্থনীতি বেহাল দশা তৈরি করে গেছে। তারপরে ১৮ মাস অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে ছিলেন ড. মোহাম্মদ ইউনূস। তিনিও চেষ্টা করে গেছেন। কিন্তু এমন দেউলিয়া করে গেছেন দেশের অর্থনীতিকে যে, ১৮ বছরে তেমন কিছুই দিয়ে যেতে পারেননি আমাদেরকে। সরকার একেবারে শূন্য হাতে শুরু করেছে।’
তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানের সরকার দেশ পরিচালনার জন্য সমস্ত কিছুতে স্বচ্ছতা সাধন করছেন, এবং আমাদেরকেও নির্দেশ দিয়েছেন স্বচ্ছতা সাধন করতে। যার কারণে আমরা মন্ত্রণালয়ে এসি ছাড়ি না, ফ্যান ব্যবহার করি। তিনি চেষ্টা করছেন দেশকে একটা পর্যায়ে তুলে আনার জন্য। আমরা বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে নিয়ে একটা স্বনির্ভর অর্থনীতির দেশে পরিণত করবার চেষ্টা করছেন। বাংলাদেশের সব জনগণের সহযোগিতায় আমরা সফল হবো ইনশা আল্লাহ।’
আরও পড়ুন:
আহমেদ আযম খান বলেন, ‘আমাদের সরকারের উদ্দেশ্য ও লক্ষ হলো, দুর্নীতিমুক্ত অবস্থায় বাংলাদেশকে আগামী পাঁচ বছরে অন্তত পক্ষে আমাদের সীমিত আয় এবং সম্পদ দ্বারা আমরা অন্তত মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করবো।’
অনুষ্ঠানে উপজেলার প্রান্তিক পর্যায়ের ২৫০ জন কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ পাশাপাশি প্রাণিসম্পদ খাতে খামারিদের দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ৩৫০ জন খামারির মাঝে বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করা হয়।
আরও পড়ুন:
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল রনীর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামসুন নাহার শিলা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাইদুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিয়ন্তা বর্মনসহ প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষক ও খামারিরা।





