
দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বিপুল অর্থায়নের চ্যালেঞ্জ
দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে প্রয়োজন বিপুল অর্থ। কেবল ব্যাংকখাতের সংকট কাটাতেই দরকার অন্তত ৪০ বিলিয়ন ডলার। নীতিনির্ধারকেরা বলছেন, বিদ্যমান এই সার্বিক অর্থনৈতিক ও ব্যাংকিং সংকট কাটিয়ে উঠতে দাতা সংস্থাগুলোর অর্থায়ন অপরিহার্য। তবে দাতাগোষ্ঠীর ঋণের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত সংস্কারেও জোর অর্থনীতিবিদদের।

বিচ্ছিন্নতা নয়, কানাডার সঙ্গেই থাকার পক্ষে জনমত
গণভোটে রায় আসবে কানাডার সঙ্গে থাকার পক্ষেই। আভাস, সিবিসি নিউজের বুথফেরত জরিপে। অটোয়ার প্রতি অসন্তোষ থাকলেও বিচ্ছিন্ন হওয়ার পক্ষে নয় অনেকেই। কিন্তু তেলসমৃদ্ধ প্রদেশটিতে বৃহত্তর স্বায়ত্তশাসন, এমনকি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিতর্ক এখানেই শেষ হচ্ছে কি?

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের আস্থা; মানতে হবে কঠিন শর্ত
আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনে বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর বড় আস্থার বার্তা দিয়েছে বৈশ্বিক সংস্থাগুলো। তবে বাজেট সহায়তার আশ্বাস মিললেও, বিনিময়ে বাস্তবায়ন করতে হবে ব্যাংক খাতের সুশাসন ও কঠোর রাজস্ব সংস্কারের মতো কঠিন শর্ত। কিন্তু জিডিপি প্রবৃদ্ধি হ্রাস আর মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির পূর্বাভাস যখন উদ্বেগ বাড়াচ্ছেন, তখন এই আন্তর্জাতিক আশ্বাস কতটা বাস্তবে রূপ পাবে?

বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় নীতিমালায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত আইএমএফের
বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিজেদের কার্যক্রমে বড় পরিবর্তন আনার কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। অর্থনৈতিক ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে স্বল্প আয়ের দেশগুলোতে সহায়তা তিনগুন বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমতে পারে: আইএমএফ
ব্যাংক খাতে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা, মূলধনী বিনিয়োগে স্থবিরতা এবং চরম অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যেই বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে আরও উদ্বেগজনক পূর্বাভাস দিলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। আন্তর্জাতিক এই অর্থায়নকারী সংস্থাটির মতে, চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি প্রবৃদ্ধি নেমে আসতে পারে মাত্র ৩ দশমিক ২ শতাংশে। অন্যদিকে, নিত্যপণ্যের বাজারে আগুন জ্বালিয়ে গড় মূল্যস্ফীতি ঠেকতে পারে প্রায় ১১ শতাংশে।

সরকারের পরিকল্পনা ১৫০টি গ্যাসকূপ খননের: জোনায়েদ সাকি
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেছেন, দেশে গ্যাসের অনেক উৎস রয়েছে। সরকার এসব উৎস কাজে লাগাতে চায়। এ লক্ষ্যে গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে নিজেদের সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে।

অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট হল ও মাইকেল উডফোর্ড
২০২৬ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই অর্থনীতিবিদ রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড। আজ (সোমবার, ১২ অক্টোবর) সুইডেনের স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস এ পুরস্কার ঘোষণা করে।

অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সরকারের সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ একমত: তিতুমীর
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল তিতুমীর জানিয়েছেন, ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে সরকারের সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গে নীতিগত একমত হয়েছে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ। একইসঙ্গে চীন, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশমুখী করতে বহুমুখী অর্থায়নের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য বিরোধে কানাডায় বেড়েছে জীবনযাত্রার ব্যয়, চাপে প্রবাসীরা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান বাণিজ্য বিরোধের কারণে কানাডায় অসহনীয় পর্যায়ে জীবনযাত্রার ব্যয়। জ্বালানি তেলের দাম, নিত্যপণ্যের বাড়তি খরচ আর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা— সব মিলিয়ে চাপে দেশটির সাধারণ মানুষ। এর প্রভাব পড়ছে ব্যবসা-বাণিজ্যেও। এছাড়া বাড়তি খরচের বোঝাও টানতে হচ্ছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের।

এআইয়ের সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতিতে যেতে হবে: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) কারণে বাংলাদেশে নতুন সম্ভাবনার পাশাপাশি নানা চ্যালেঞ্জও তৈরি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, ‘প্রচলিত শিল্পের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনভিত্তিক অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যেতে হবে। পাশাপাশি সেমিকন্ডাক্টরসহ উচ্চপ্রযুক্তির বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশের কাজ করার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।’

বাটেক্সপোর উদ্বোধন-সমাপনীতে ব্যত্যয়, সরকারের দলীয়করণের অভিযোগ জামায়াতের
বাটেক্সপোর উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী এবং সমাপনী অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতাকে প্রধান অতিথি রাখার প্রচলিত সংস্কৃতির এবার ব্যত্যয় ঘটেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তার দাবি, এর মাধ্যমে সরকারের দলীয়করণের চিত্র ফুটে উঠেছে।

চার মাসেও গতি নেই বাংলাদেশ ব্যাংকের ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনায়
চার মাসেও প্রত্যাশিত গতি আসেনি বাংলাদেশ ব্যাংকের ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা স্কিমের। রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের সঙ্গে ফান্ড সংগ্রহে চুক্তি করলেও বিতরণের ধীরগতি দৃশ্যমান। তবে ব্যাংকগুলোর দাবি, এসএমই ও কৃষি খাতে প্রণোদনার ঋণ বিতরণ শুরু করেছে তারা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা যাতে এই সুবিধা পান, বাংলাদেশ ব্যাংককে তা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যদিকে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, প্রণোদনার অর্থ উৎপাদনশীল খাতে না গেলে উদ্দেশ্য বিফলে যাবে।