ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে লেখেন, ‘আজ ইরানকে অত্যন্ত কঠোরভাবে আঘাত করা হবে!’ তিনি আরও লেখেন, ‘ইরানের ‘‘খারাপ আচরণের’ কারণে এমন কিছু এলাকা ও গোষ্ঠীকেও লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে, যেগুলো আগে হামলার তালিকায় ছিল না।’
এর আগে আজ (শনিবার, ৭ মার্চ) ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান ঘোষণা দেন, তার দেশ কখনোই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কাছে আত্মসমর্পণ করবে না।
গত (শনিবার ২৮, ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। এরপর থেকে ইরান ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন স্বার্থের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে পাল্টা জবাব দিয়ে আসছে, বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলে।
আরও পড়ুন:
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভাষণে পেজেশকিয়ান উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর ইরানের হামলার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, যদি ওই দেশগুলো থেকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা না হয়, তাহলে তেহরানও তাদের লক্ষ্য করে হামলা চালাবে না।
ডোনাল্ড ট্রাম্প তার পোস্টে পেজেশকিয়ানের এই বক্তব্যের উল্লেখ করে বলেন, ইরান মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিবেশীদের কাছে ‘আত্মসমর্পণ’ করেন এবং তাদের ওপর আর হামলা না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
তিনি দাবি করেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের টানা হামলার কারণেই ইরান এই প্রতিশ্রুতি দিতে বাধ্য হয়েছে।’
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘ইরান আর মধ্যপ্রাচ্যের দাপুটে শক্তি নয়। তারা এখন ‘‘মধ্যপ্রাচ্যের পরাজিত শক্তি’’, তারা আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত, কিংবা সম্ভবত সম্পূর্ণ ধসে পড়া পর্যন্ত, দীর্ঘ সময় এমনই থাকবে।’




