যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণাধীন প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ গুয়াম ও নর্দান মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হানার পরও দাপট কমেনি ক্যাটাগরি পাঁচ মাত্রার সুপার টাইফুন বাভির।
তাইওয়ানের আবহাওয়া দপ্তর বলছে, শনিবার স্থানীয় সময় রাতে দেশটির উত্তর অংশে আঘাত হানবে টাইফুনটি। যা ১৯৮৭ সালের পর আয়তনের দিক থেকে সবচেয়ে বড় দুর্যোগ বলে আগাম শঙ্কা আবহাওয়াবিদদের। শুধু তাইওয়ান নয়, পূর্ব চীনের ফুজিয়ানা প্রদেশেও আঘাত হানতে পারে টাইফুন বাভি।
বাভি আঘাত হানার আগে তাইওয়ানের উপকূলীয় অঞ্চলজুড়ে তীব্র বাতাস শুরু হয়েছে। দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চলের মানুষদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে কাজ শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। দুর্যোগ মোকাবিলায় ২৯ হাজার সেনা প্রস্তুত রেখেছে তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ক্ষতির শঙ্কায় তীরে আটকা পড়ে আছে মাছ ধরার নৌকা।
আরও পড়ুন:
জেলেদের মধ্যে একজন বলেন, ‘যদি টাইফুনটি জাপানের মিয়াকো দ্বীপ দিয়ে বয়ে যায়, তাহলে আমরা কম ক্ষতির সম্মুখীন হবো। কিন্তু যদি এটি দক্ষিণ ঘুরে ইলানে আঘাত হানে তাহলে তাইওয়ানের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।’
অন্য একজন বলেন, ‘মনে হচ্ছে তাইওয়ানের প্রভাবে ভারী বৃষ্টিপাত ও ভূমিধসের মতো ঘটনা ঘটতে পারে।’
এছাড়া টাইফুন বাভি মোকাবিলায় নানা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পার্শ্ববর্তী দেশ চীন ও জাপানও। শুক্রবার নির্ধারিত ৪৮টি অভ্যন্তরীণ ও দু’টি আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইট চলাচল বাতিল করেছে জাপান এয়ারলাইন্স।
এদিকে ভারী বর্ষণে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়ায় বিপর্যস্ত ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি, মুম্বাইসহ ভারতের কয়েকটি শহরের জনজীবন। বিঘ্নিত হচ্ছে রেল পরিষেবাও।




