
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির মুখেও নিজেদের স্বাধীন রাষ্ট্র বলছে তাইওয়ান
চীন থেকে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা না করার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পর তাইওয়ান পাল্টা জানিয়েছে, তারা ইতিমধ্যে একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন রাষ্ট্র। বেইজিংয়ে দুই দিনের শীর্ষ বৈঠক শেষে ট্রাম্পের করা মন্তব্যের জবাবে এই প্রতিক্রিয়া জানাল স্বশাসিত দ্বীপটি। বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

আমি কাউকে স্বাধীনতার পথে যেতে দেখতে চাই না—তাইওয়ান ইস্যুতে ট্রাম্পে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাইওয়ানকে চীন থেকে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা না করতে সতর্ক করেছেন। বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দুই দিনের শীর্ষ বৈঠক শেষে গতকাল (শুক্রবার, ১৫ মে) ফক্স নিউজকে তিনি বলেন, ‘আমি কাউকে স্বাধীনতার পথে যেতে দেখতে চাই না।’ বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইরানের ওপর বড় হামলার প্রস্তুতি ট্রাম্পের: নিউ ইয়র্ক টাইমস
চীন সফর শেষ করে দেশে ফিরেই ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কূটনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনে ট্রাম্প যদি সামরিক শক্তি বেছে নেন, তবে দেশটিতে বিমান হামলা পুনরায় শুরু করতে পেন্টাগন ও শীর্ষ উপদেষ্টারা পরিকল্পনা সাজাচ্ছেন বলে জানিয়েছে নিউ ইয়র্ক টাইমস। এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর স্বাধীনতা ঘোষণার বিষয়ে তাইওয়ানকে সতর্ক করলো ট্রাম্প
চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকের পর তাইওয়ান ইস্যুতে সুর বদল করলেন ট্রাম্প। আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণার বিষয়ে তাইওয়ানকে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ফক্স নিউজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে সরাসরি বলেছেন, তিনি চান না তাইওয়ান স্বাধীনতা দাবি করুক। এমনকি তাইপেকে ১১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলছেন না ট্রাম্প। এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের বিরোধিতা না করলেও, এর অর্থ বিশ্লেষণ করে দেখবে তাইওয়ানের পররাষ্ট্র দপ্তর। তবে, ওয়াশিংটন থেকে অস্ত্র আমদানির বিষয়ে আইনি জটিলতা নেই বলে দাবি তাইপের।

চীন সফরে ট্রাম্প; ব্যক্তিগত সম্পর্ক জোরদার হলেও অনেক বিষয়েই মতভেদ
তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে শুক্রবার বেইজিং ত্যাগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘ এক দশকের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের এই প্রথম বৈঠকে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত সম্পর্ক জোরদার হয়েছে। তবে ইরান, তাইওয়ান ও বাণিজ্যের মতো জটিল অমীমাংসিত বিষয়গুলোর কোনো সুনির্দিষ্ট সমাধান ছাড়াই সফরটি শেষ হলো। সিএনএনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

ট্রাম্পের চীন সফরের মধ্যেই তাইওয়ানের সমরাস্ত্র মহড়া
ট্রাম্পের চীন সফরের মধ্যেই অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র নিয়ে মহড়া চালিয়েছে তাইওয়ান। বিশ্লেষকরা মনে করেন, ট্রাম্প-শি জিনপিং বৈঠকে সতর্ক নজর আছে তাইওয়ানের- এমন বার্তা দিতেই এই মহড়া চালিয়েছে তাইপে। শত্রুপক্ষ দ্বীপে অবতরণের চেষ্টা করলে কীভাবে তা প্রতিহত করা হবে- সেটিই ছিল মহড়ার বিশেষত্ব।

শি জিনপিং-ডোনাল্ড ট্রাম্প বৈঠকে গুরুত্ব পেল বাণিজ্য ও তাইওয়ান ইস্যু
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বর্তমানে বেইজিংয়ে অবস্থান করছেন। ২০১৭ সালে নিজের প্রথম মেয়াদের সফরের পর এটিই কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রথম চীন সফর। গ্রেট হল অব দ্য পিপলে লালগালিচা সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার বৈঠক শুরু হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠককে ট্রাম্প ‘চমৎকার’ বলে উল্লেখ করলেও বাণিজ্য, তাইওয়ান বা ইরান যুদ্ধের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির স্পষ্ট ইঙ্গিত এখনো পাওয়া যায়নি।

ইরান সংকটে চীনের সহায়তা চাইলে কড়া চড়া মূল্য দিতে হতে পারে ট্রাম্পকে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে বেইজিংয়ে শুরু হওয়া শীর্ষ সম্মেলনে আলোচনার টেবিলে নতুন এক জটিল ইস্যু হিসেবে যুক্ত হয়েছে ‘ইরান যুদ্ধ’। মার্কিন কর্মকর্তারা চাইছেন, হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ইরানের ওপর চাপ প্রয়োগে চীন অগ্রণী ভূমিকা পালন করুক। তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, ইরান ইস্যুতে বেইজিংয়ের সহায়তা পেতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে তাইওয়ানসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বড় ধরনের ছাড় দিতে হতে পারে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

তাইওয়ান ইস্যুতে ট্রাম্পকে কড়া বার্তা শি জিনপিংয়ের
বেইজিংয়ে দুই দিনের শীর্ষ সম্মেলনের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তিনি পরিষ্কারভাবে জানিয়েছেন, তাইওয়ান ইস্যুতে যেকোনো ভুল পদক্ষেপ দুই দেশের সম্পর্ককে অত্যন্ত বিপজ্জনক পথে নিয়ে যেতে পারে, এমনকি তা সশস্ত্র সংঘাতের কারণও হতে পারে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বেইজিংয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প-শি জিনপিং বৈঠক, আলোচনায় তাইওয়ান ও শুল্ক
ইরান যুদ্ধের উত্তাপের মধ্যেই এক হাই-প্রোফাইল সম্মেলনে যোগ দিতে চীন সফরে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিন দিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরে আজ (বুধবার, ১৩ মে) সন্ধ্যায় বেইজিং পৌঁছাবেন তিনি। ২০১৭ সালের পর এটিই কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রথম চীন সফর। এই সম্মেলনে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মূলত তাইওয়ান ইস্যুতে বড় কোনো ছাড় এবং মার্কিন শুল্ক কমানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেবেন বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

তাইওয়ান ইস্যুতে সামরিক নয়, ভিন্ন পথে হাঁটছে কি চীন?
ভেনেজুয়েলার মতো তাইওয়ান দখলে চীন হামলা চালাবে কি না এ নিয়ে সামনে আসছে নতুন বিশ্লেষণ। তবে যুক্তরাষ্ট্রের মতো এ ধরনের সামরিক অভিযানে পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই চীনের। এজন্য তাইওয়ান ও ভেনেজুয়েলাকে একই মাপকাঠিতে বিবেচনা করা ঠিক হবে না বলেও মনে করেন বিশ্লেষকরা। সম্প্রতি চীনের হামলা মোকাবিলায় যথেষ্ট সামরিক সক্ষমতাও অর্জন করেছে তাইপে।

তাইওয়ান ঘিরে চীনের সামরিক মহড়া; উদ্বিগ্ন নয় ওয়াশিয়াংটন
তাইওয়ান ঘিরে চীনের সামরিক মহড়াকে পাত্তাই দিলেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে অবহিত না করলেও, খুব একটা উদ্বিগ্ন নয় ওয়াশিয়াংটন। তাইওয়ানের উত্তর জলসীমায় রকেটও ছুঁড়েছে চীনা সামরিক বাহিনী। এদিকে চীনের বিরুদ্ধে ক্রমাগত আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে তাইওয়ান।