তিনি বলেন, ‘শপথ নিলে বিশাল একটা দায়িত্ববোধ চলে আসে। একজন চিকিৎসকের শপথের সঙ্গে জনগণের প্রতি তার দায়িত্ববোধ, সততা, নিষ্ঠা, মানবিকতা এবং দায়বদ্ধতার বিষয়গুলো ওতপ্রোতভাবে জড়িত।’
পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সততা, নিষ্ঠা ও মানবিক মূল্যবোধকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ভূমিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আপনারা আজ সেবার শপথ নিয়েছেন। সে শপথের অংশ হিসেবে চিকিৎসকদের সব সময় রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও হাসিমুখে রোগীদের সেবা দেওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শপথ গ্রহণের মাধ্যমে একজন চিকিৎসকের ওপর বড় দায়িত্ব অর্পিত হয়। রোগীদের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ, প্রতিষ্ঠানের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং দেশের মানুষের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করার মধ্য দিয়েই একজন চিকিৎসক নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘রাজশাহী মেডিকেল কলেজ শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, এটি সংশ্লিষ্ট সবার আবেগ ও গর্বের জায়গা। এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের আচরণ ও সেবার মানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আমি আশাবাদী।’ এরপর তিনি উপস্থিত সকলের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে তাদের অভিনন্দন জানান।
সকল অনুষ্ঠানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পি কে এম মাসুদ উল ইসলাম, রাজশাহী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. খন্দকার মো. ফয়সাল আলম, ড্যাব নেতা ডা. ওয়াসিম হোসেন ও ডা. মুর্শেদ জামান মিয়াসহ হাসপাতালের চিকিৎসকবৃন্দ, প্রশিক্ষণরত চিকিৎসক এবং তাদের অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, আজ ৬২তম ব্যাচের মোট ২১৬ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচিতে অংশ নেন।—বাসস





