ভারতে ফের বাড়ল পেট্রোল-ডিজেলের দাম, নাজেহাল সাধারণ মানুষ

জ্বালানি তেলের ডিপো
জ্বালানি তেলের ডিপো | ছবি: সংগৃহীত
0

মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে ভারতে ফের বাড়ল পেট্রোল ও ডিজেলের দাম। লিটারপ্রতি প্রায় ৯০ পয়সা বেড়ে মুম্বাই, কলকাতা চেন্নাইসহ ভারতের মেগা সিটিগুলোতে পেট্রোলের দাম প্রতি লিটারে ১০০ ছাড়িয়েছে। জ্বালানির দাম বাড়ার পেছনে ক্ষমতাসীন বিজেপি নানা যুক্তি দিলেও কংগ্রেস সভাপতির অভিযোগ, সরকার নিজেদের নীতিগত ব্যর্থতার দায় জনগণের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে। আর জ্বালানির নিয়মিত মূল্যবৃদ্ধিতে কার্যত নাজেহাল সাধারণ মানুষ।

সম্প্রতি তেলেঙ্গানায় একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে জ্বালানি ও তেল ব্যবহারে দেশবাসীকে সংযমী হওয়ার বার্তা দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মিতব্যয়ীতার প্রচার ও জ্বালানি খরচ কমানোর লক্ষ্যে নিজের গাড়িবহর এরইমধ্যে ৫০ শতাংশে নামিয়ে এনেছেন তিনি। একই পথে হাঁটছেন দিল্লির মন্ত্রীসহ বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর দেশবাসীকে সপ্তাহে অন্তত একটি দিন যানবাহনে চড়া থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ জানায় কেন্দ্রীয় সরকার। পাশাপাশি, আগামী ছয় মাস সরকারি পর্যায়ে নতুন কোনো পেট্রোল বা ডিজেলচালিত গাড়ি কেনা বন্ধ রাখা হয়েছে। এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছে সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফর।

আরও পড়ুন:

শুধু নির্দেশনা নয়, গেল শুক্রবার ভারতে লিটারপ্রতি তিন টাকা বাড়ে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম। মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব কাটতে না কাটতেই মঙ্গলবার পাঁচ দিনের ব্যবধানে লিটারপ্রতি প্রায় ৯০ পয়সা বাড়ে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম। দ্বিতীয় দফায় দাম বাড়ায় মুম্বাই, কলকাতা, চেন্নাইসহ মেগা সিটিগুলোতে পেট্রোলের লিটারপ্রতি দাম ১০০ রুপি ছাড়িয়েছে।

তবে বিজেপি সরকারের ক্রমাগত পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ বিরোধীদল কংগ্রেস। দলটির সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এক এক্স বার্তায় জানান, সরকার নিজেদের নীতিগত ব্যর্থতার দায় জনগণের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে। এছাড়া মোদি প্রশাসনের সমালোচনা করেছে অন্যান্য বিরোধীদলও।

তবে দুই দফায় মূল্যবৃদ্ধির ফলে চাপে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। তাদের শঙ্কা, বাড়তি জ্বালানির খরচের প্রভাব পড়তে পারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে।

ইরানের যুদ্ধের প্রভাব থেকে গেল ফেব্রুয়ারি থেকে অস্থিতিশীল ভারতের জ্বালানি বাজার। দেশটি তাদের মোট জ্বালানির প্রায় ৮৯ শতাংশ বিদেশ থেকে রপ্তানি করে।

এসএস