ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই গালিবাফ দেশটির অন্যতম শীর্ষ আলোচক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাত নিরসনে এবং যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিলেন।
বিশ্লেষকদের মতে, গালিবাফকে বিশেষ দূত করে বেইজিংয়ে পাঠানোর এই সিদ্ধান্তটি এমন এক সময়ে এল যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার আলোচনা এক প্রকার স্থবির হয়ে পড়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, যুদ্ধের এই সংকটময় পরিস্থিতিতে চীনের সরাসরি সমর্থন ও মধ্যস্থতা নিশ্চিত করতেই তেহরান তার অন্যতম প্রভাবশালী এই নেতাকে বিশেষ দায়িত্ব দিয়ে পাঠাচ্ছে।





