আইডিএফ বলেছে, ‘আপনাদের নিরাপত্তার স্বার্থে’ এ সময়ের মধ্যে সারা দেশে ট্রেন ব্যবহার ও ট্রেনে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে হবে। তাদের দাবি, ‘ট্রেনে ও রেললাইনের কাছে থাকা আপনাদের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে।’
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে অবাধ চলাচল নিশ্চিত না হলে আজ রাত ৮টা ইডিটি, অর্থাৎ বুধবার ১টা বিএসটির মধ্যে ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালানো হবে।
রাতভর আপডেটে ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা তেহরানে ‘শাসনব্যবস্থার অবকাঠামো’ লক্ষ্য করে বিমান হামলার এক দফা শেষ করেছে। একই সঙ্গে তারা বলেছে, হামলায় হিজবুল্লাহর সদস্য হিসেবে যাদের চিহ্নিত করা হয়েছে, তাদেরও হত্যা করা হয়েছে। আলাদাভাবে ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে ইসরাইলের দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র তারা প্রতিহত করেছে।
ফারসি ভাষায় দেয়া আরেকটি পোস্টে আইডিএফ বলেছে, ইরানের ট্রেন ব্যবহারকারীদের জন্য এটি ‘জরুরি সতর্ক বার্তা’। তবে ইরানে কয়েক সপ্তাহ ধরে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট থাকায় এ সতর্কবার্তা খুব কম মানুষের কাছেই পৌঁছাতে পারে। দেশটির বিস্তৃত রেল নেটওয়ার্কে অনেকেই এরইমধ্যে ভ্রমণে থাকতে পারেন বা রেলস্টেশন ও রেললাইনের কাছাকাছি থাকতে পারেন।
আরও পড়ুন:
রাতভর ইরানে একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। হামলার লক্ষ্য হিসেবে ‘শাসনব্যবস্থার অবকাঠামো’কে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এদিকে জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছে, ইরানে বিমান হামলায় এরই মধ্যে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা বেশি, বহু ঘরবাড়ি, স্কুল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলায় মৌলিক সেবাও বিঘ্নিত হয়েছে।
ট্রাম্প যুদ্ধাপরাধ-সংক্রান্ত প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়ে প্রমাণ ছাড়াই দাবি করেছেন, ইরানের মানুষ যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বোমা হামলা চালিয়ে যেতে’ চায়।





