সর্বোচ্চ নেতাকে হারানোর ধাক্কা সামলে ইসরাইল ও মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাটি লক্ষ্য করে মোজাইক কমব্যাট স্টাইলে যুদ্ধ শুরু করেছে ইরান। ভিন্ন ভিন্ন কমান্ড স্টেশন থেকে চালানো হচ্ছে অতর্কিত হামলা, বিভ্রান্তিতে ফেলা হচ্ছে শত্রুপক্ষকে।
সোমবার (২ মার্চ) দিবাগত রাত থেকে ইসরাইলের বিভিন্ন এলাকা লক্ষ্য করে ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে তেহরান। আইআরজিসির হুঁশিয়ারি— তেলবাহী মার্কিন ট্যাঙ্কার নজরে এলেই তাতে হামলা করবে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের যোদ্ধারা। মধ্যপ্রাচ্যের বিরুদ্ধে একাই লড়ছে ইরান। নতুন করে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে আরব আমিরাতে, হামলা হয়েছে কাতারের দোহায়।
আরও পড়ুন:
হামলা হয়েছে সৌদি আরবের রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসেও। হামলার পর সেখানে আগুন ধরে যায়। এছাড়া সোমবার দিবাগত রাতে কুয়েতেও হামলা করেছে ইরান। তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত সামলাতে কাজ করছে কুয়েতি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
বিপরীতে তেহরান ও বৈরুতে পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইল। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবনে হামলার পর বৈরুতে ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদের শীর্ষ কমান্ডারকে হত্যার দাবি করছে আইডিএফ। আর ইরানের সঙ্গে যৌথভাবে এবারই প্রথম ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়েছে লেবাননের হিজবুল্লাহ। ভিন্ন ফ্রন্টে যুদ্ধ করতে হচ্ছে তেল আবিবকে।
এমন পরিস্থিতিতে ইরানের জনগনকে সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানোর বার্তা দিয়েছেন মার্কিন পররাষ্টমন্ত্রী। আরও জানিয়েছেন এখনই ইরানের সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা নেই ওয়াশিংটনের।



 weapon at Eglin Air Force Base, Florida-320x167.webp)

