চলমান ইরান যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর বিশ্ব তেল পরিবহনের অন্যতম রুট হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ। পারস্য উপসাগরের এই গুরুত্বপূর্ণ জলসীমা শুরু থেকেই ইরানের ট্রাম্প কার্ড হিসেবে বিবেচিত।
সংঘাত শুরুর পর রুটটিতে চলাচলকারী বেশ কয়েকটি নৌযানে হামলা চালায় আইআরজিসি। হুঁশিয়ারি দেয়, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের পতাকাবাহী ও তাদের সমর্থনকারী রাষ্ট্রগুলোর নৌযানে হামলা করার। এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে হরমুজ সুরক্ষায় সেনা পাঠানোর পরিকল্পনার কথা জানায় যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা দেশগুলোকে আহ্বান জানায়, নৌরুটটির সুরক্ষায় সেনা পাঠাতে।
আরও পড়ুন:
শুরুতে অস্বীকৃতি জানালেও এ পর্যন্ত ২২টি দেশ হরমুজে চলাচলকারী নৌযানের সুরক্ষায় একজোট হয়েছে। এ তালিকায় নতুন করে যুক্ত হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন। এছাড়া শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়াও সমুদ্রপথটি সুরক্ষায় পশ্চিমা জোটের সঙ্গে যুক্ত হয়। দেশগুলো হরমুজে চলাচলকারী নিরস্ত্র তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার নিন্দা জানিয়ে ইরানকে আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।
এদিকে ভারতের তেলবাহী ট্যাংকারকে সেফ এক্সিট দেয়ার পর জাপানের জাহাজগুলোকেও হরমুজ প্রণালি পারাপারের অনুমতি দিয়েছে আইআরজিসি।
জয়েন্ট মেরিটাইম ইনফরমেশন সেন্টারের তথ্যমতে, রুটটিতে যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন প্রায় ১৩৮টি জাহাজ চলাচল করতো। তবে সংঘাত শুরুর পর তা উল্লেখযোগ্য হারে কমলেও একেবারে শূন্যে নামেনি। শিপিং বিশ্লেষক কেপার বলছে, সংঘাত শুরু পর হরমুজ পাড়ি দিয়েছে শতাধিক জাহাজ। বিবিসির প্রতিবেদন, ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে এমন দেশগুলোর জাহাজ নৌসীমা অতিক্রমের সুযোগ পাচ্ছে।





