আরও পড়ুন:
আন্দোলনের বিস্তারিত চিত্র (Details of the Protest)
রোববার সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা সরকারি কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের (Secondary and Higher Education Government Employees Welfare Association) জেলা ও কলেজ ইউনিটগুলো এই কর্মসূচি পালন করে। রাজধানী ঢাকাসহ রাজশাহী, বগুড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নরসিংদী ও বরিশালের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে দুই ঘণ্টার এই কর্মবিরতি পালন করা হয়। এতে সারাদেশে সরকারি সেবা কার্যক্রম (Public Services) সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষ কিছুটা ভোগান্তির (Public Suffering) শিকার হন।
কেন এই আন্দোলন? (Reasons Behind the Protest)
আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা পে-স্কেল বাস্তবায়ন (Pay Scale Implementation) এবং ৭ দফা দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করে আসছেন। সরকারের গঠন করা কমিশনের রিপোর্ট (Commission Report) জমা হলেও গেজেট প্রকাশে গড়িমসি দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে সরকারের জ্বালানি উপদেষ্টার একটি সাম্প্রতিক বক্তব্যে কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
আন্দোলনরত কর্মচারীরা বলছেন, "মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য ন্যূনতম বেতন (Minimum Salary) না পেলে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া ছাড়া আমাদের আর কোনো উপায় নেই।"
আরও পড়ুন:
পরবর্তী কর্মসূচি (Upcoming Programs)
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আগামী সোম ও মঙ্গলবারও একই সময়ে এই কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ সমাবেশ (Protest Rally) চলবে। যদি ৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দাবি আদায় না হয়, তবে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’ অভিমুখে ভুখা মিছিল (Hunger March towards Jamuna) করার চূড়ান্ত আলটিমেটাম দিয়েছে সংগঠনটি।
সরকারি কর্মচারীদের আন্দোলনের ৭ দফা দাবিসমূহ
আরও পড়ুন:





