আরও পড়ুন:
মন্ত্রণালয়ের জরুরি নির্দেশনা (Ministry’s Urgent Directive)
আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে এই তথ্য জরুরিভিত্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে প্রেরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি মাধ্যমিক-২ শাখা থেকে এই সংক্রান্ত একটি ‘তাগিদ পত্র’ (Urgent Notice) আজ রোববার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরে (DSHE) পাঠানো হয়েছে।
চিঠির বিস্তারিত (Details of the Letter)
মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হুরে জান্নাত স্বাক্ষরিত পত্রে বলা হয়, ৬ষ্ঠ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির (6th Recruitment Notice) মাধ্যমে এসব শিক্ষকের এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছিল। এতে বলা হয়েছে, সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মধ্যে কতজন ইতোমধ্যে কর্মস্থলে যোগদান করেছেন এবং কতজনের যোগদান পরবর্তী পদায়ন করা সম্ভব হয়নি, তার সঠিক পরিসংখ্যান নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ।
আরও পড়ুন:
প্রশাসনিক জটিলতা ও এমপিও (Administrative Issues and MPO)
এছাড়াও যোগদানের ক্ষেত্রে কোনো ধরণের প্রশাসনিক জটিলতা (Administrative Complexity) রয়েছে কি না এবং কতজন শিক্ষক এখনো এমপিওভুক্ত হতে পারেননি, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। গত ৭ জানুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে মাউশি অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিচালকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতেই এই তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
নির্ধারিত ছকে তথ্য প্রদান (Information in Fixed Format)
মন্ত্রণালয় থেকে প্রেরিত নির্দেশনায় নির্দিষ্ট ছকে তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে। এই ছকের মধ্যে রয়েছে:
- সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকের নাম ও নিবন্ধন নম্বর (Registration Number)।
- সুপারিশকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম।
- যোগদানের তারিখ (Date of Joining)।
- এমপিওভুক্ত না হয়ে থাকলে তার সুনির্দিষ্ট কারণ ও মন্তব্য (Specific Reasons for Not Being MPO-listed)।





