প্রতিবেদন বলা হয়, গতকাল (বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই) রাত ও আজ (শুক্রবার, ১৬ জুলাই) সকালে চালানো এসব হামলায় দেশটির বিভিন্ন অংশের অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
মার্কিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ ও তথ্যকেন্দ্রের প্রধান হোসেইন কারমানপুর জানান, চলতি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে চালানো এসব হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন ৪০০-র বেশি মানুষ।
তিনি আরও জানান, নিহতদের মধ্যে তিনজন নারী এবং একজন ১৮ বছরের কম বয়সী রয়েছেন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন ২২ জন নারী ও ৯ জন কিশোর-কিশোরী। কারমানপুর যোগ করেন, ৪৭ জন এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আরও পড়ুন:
বৃহস্পতিবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা ইরানের বিরুদ্ধে নতুন এক দফা আক্রমণাত্মক হামলা সম্পন্ন করেছে। ইরানের সামরিক স্থাপনায় টানা ষষ্ঠ রাতের মতো মার্কিন সেনা অভিযান চালানো হলো।
গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথ অভিযান শুরুর পর থেকেই এই অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। জবাবে তেহরান মার্কিন সামরিক সদস্যদের আশ্রয়দাতা উপসাগরীয় দেশগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে।
গত মাসে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি সমঝোতা স্মারকে সই করে, যার লক্ষ্য ছিল সংঘাতের অবসান ও স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানো। তবে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা আবার বেড়েছে এবং দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে।





