যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যখন যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করে, তখন তার জবাবে পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে মুহুর্মুহু আক্রমণ করে তেহরান।
উদ্ভূত এ পরিস্থিতি সামাল দিতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় আসে পাকিস্তান; সফলও হয় দেশটি। সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় ওয়াশিংটন ও তেহরান। বলা যায়, কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে পুরো বিশ্ব, প্রশংসায় ভাসে ইসলামাবাদ।
অবশ্য এ দুই দেশের মধ্যে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধে এখনও মধ্যস্থকারী হিসেবে নিজের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে পাকিস্তান। কিন্তু আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে অন্য কথা।
গতকাল (সোমবার, ১৮ মে) প্রকাশিত এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ইরান যুদ্ধ চলাকালে সৌদি আরবে যুদ্ধবিমানের একটি বহর ও কয়েক হাজার সেনা মোতায়েন করেছে পাকিস্তান।
আরও পড়ুন:
তিনজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা এবং দু’টি সরকারি সূত্রের বরাত দিয় রয়টার্স আরও বলছে, এপ্রিলের শুরুতেই সৌদি আরবে মোতায়েন করা হয়েছে পাকিস্তানের ৮ হাজার সেনা, জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান, ড্রোন এবং এইচকিউ-৯ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
শুধু তাই নয়, সৌদি আরব সেনা মোতায়েনের অর্থায়ন করে এবং সমস্ত সরঞ্জাম পাকিস্তানি কর্মীরাই পরিচালনা করে বলে দাবি করে রয়টার্স।
তবে ধারণা করা হচ্ছে, গেলো বছর হওয়া দ্বিপাক্ষিক চুক্তির অধীনে রিয়াদে সেনা পাঠিয়েছে ইসলামাবাদ। কেননা দু’দেশের মধ্যে হওয়া প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী, যেকোনো এক দেশ আক্রান্ত হলে অন্য দেশ তার প্রতিরক্ষায় এগিয়ে আসতে বাধ্য থাকবে।
এদিকে সেনা মোতায়েন নিয়ে রয়টার্সের এমন দাবির বিষয়ে এখনও কোনো মন্তব্য করেনি পাকিস্তান ও সৌদি আরব। তবে এমন প্রতিবেদন প্রকাশের পর তেহরান কী পদক্ষেপ নেবে, তাই এখন দেখার বিষয়।




