লেবাননে ইসরাইলের হামলা অব্যাহত থাকায়, হুমকির মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি। এর জেরে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল এখনও স্বাভাবিক না হওয়ায়, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট নিয়ে উদ্বেগ এখনও কাটেনি। জীবনযাত্রা ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় বিশ্ব নেতারা।
এমন পরিস্থিতিতে গোটা বিশ্বের চোখ এখন পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি মধ্যস্থতার পর, এবার ওয়াশিংটন-তেহরানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার আয়োজন করেও পাকিস্তান সফল হয় কি-না তারই অপেক্ষায় বিশ্ববাসী।
যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের পাল্টা-পাল্টি শর্তগুলো নিয়ে এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় সফল হলে; পাকিস্তানের মর্যাদাও বাড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রাজি করিয়ে ইতোমধ্যেই বিশ্ব নেতাদের প্রশংসা কুড়িয়েছে ইসলামাবাদ।
আরও পড়ুন:
যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানালেও পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য করা থেকে বিরত রয়েছে তার চির বৈরী ভারত। তবে সাধুবাদ জানিয়েছেন অনেক বিরোধী রাজনীতিক, সাংবাদিক ও বিশ্লেষক। তাদের অনেকেই এই বিষয়ে পাকিস্তানের ভূমিকার প্রশংসা করছেন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের কূটনীতির সমালোচনা করছেন।
কংগ্রেস নেতা রশিদ আলভি বলেন, ‘যে ভূমিকা ভারতের পালন করা উচিত ছিল, তা পাকিস্তান করে দেখাচ্ছে। মোদি সরকার ইসরাইলকে “পিতৃভূমি” আখ্যা দিয়ে একপক্ষীয় অবস্থানে চলে যাওয়ায় নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী হওয়ার নৈতিক শক্তি হারিয়েছে।’
এদিকে ইসলামাবাদে ওয়াশিংটন-তেহরানের কূটনৈতিক আলোচনা ১৫দিন স্থায়ী হতে পারে বলে জানা গেছে, যা ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে পুরো ইসলামাবাদ।
ইরানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে আছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ও স্পিকার বাঘের ঘালিবাফ। আর মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।





