আমাদের সক্ষমতা বাড়ছে, ইরানের কমছে: যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ | ছবি: সংগৃহীত
0

ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং একমুখী ড্রোনহামলা ‘সংঘাত শুরুর পর থেকে ৯০ শতাংশ কমে গেছে’ বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। আজ (বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ) পেন্টাগনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

পিট হেগসেথ বলেন, ‘এই মুহূর্তে পৃথিবীতে যে কাজটি কেউই করতে চাইবে না, তা হলো— ইরানি সামরিক বাহিনীর জ্যেষ্ঠ নেতৃত্বের একটি পদে থাকা।’

এই পদগুলোকে বর্তমানে ‘অস্থায়ী চাকরি’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র অন্তত ১২০টি ইরানি নৌযান ক্ষতিগ্রস্ত বা ডুবিয়ে দিয়েছে, যার ফলে তাদের পৃষ্ঠ-নৌবহর আর কোনো কার্যকর শক্তি নেই। ইরানের সাবমেরিনগুলোও শেষ হয়ে গেছে।’

আরও পড়ুন:

তিনি বলেন, ‘এ ধরনের একটি শাসনব্যবস্থা, যারা তাদের পারমাণবিক আকাঙ্ক্ষা ছাড়তে অস্বীকার করছে—তারা শুধু আঞ্চলিক সমস্যা নয়, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য, স্বাধীনতার জন্য এবং সভ্যতার জন্যও সরাসরি হুমকি।’

পিট হেগসেথ বলেন, ‘বিশ্ব, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপের আমাদের অকৃতজ্ঞ মিত্ররা, এমনকি আমাদের নিজস্ব গণমাধ্যমের কিছু অংশেরও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে একটি মাত্র কথা বলা উচিত— “ধন্যবাদ”।’

আরও পড়ুন:

গাজায় হামাসের সঙ্গে ইরানি শাসন ব্যবস্থার তুলনা করে হেগসেথ বলেন, ‘ইরান টানেল, রকেট, ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনে বিপুল অর্থ ঢেলেছে।’

কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র তাদেরকে খুঁজে বের করছে, পদ্ধতিগতভাবে, নির্মমভাবে এবং প্রবল শক্তি দিয়ে— যা বিশ্বের অন্য কোনো সামরিক বাহিনী করতে পারে না বলেও জানান পিট হেগসেথ।

আরও পড়ুন:

তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভেতরে সাত হাজারেরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে, এবং বৃহস্পতিবারও সর্ববৃহৎ আঘাত হানার প্রস্তুতি রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সক্ষমতা ক্রমাগত বাড়ছে, আর ইরানের সক্ষমতা ক্রমশ ক্ষয় হচ্ছে।’

এসএস