পোস্টাল ব্যালটে ভোটাধিকার পেয়ে উচ্ছ্বসিত নাটোরের প্রবাসীরা

পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিচ্ছেন নাটোর প্রবাসীরা | ছবি: সংগৃহীত
1

প্রথমবার পোস্টাল ব্যালটে স্থানীয় ভোটারদের মতো ভোট দিতে পারায় খুশি নাটোর জেলার প্রবাসী বাংলাদেশিরা। তবে কমিশনের সময়ের মধ্যে পোস্টাল ব্যালট দেশে পৌঁছানো নিয়েও রয়েছে শঙ্কা। যদিও প্রবাসীদের ভোট সমন্বয়ে গঠন করা হয়েছে কমিটি।

বিশ্বের অন্তত ১০৪টি দেশে রয়েছেন নাটোর জেলার প্রবাসীরা। যাদের অধিকাংশই সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, কাতার, দুবাইসহ মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপীয় দেশগুলোতে। তবে প্রথমবার পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে এরইমধ্যে কমিশনের পোর্টালে নিবন্ধন করেছে নাটোরের অন্তত ১১ হাজার ১৪১ প্রবাসী। এরইমধ্যে ৯ হাজার ৩৪৩ জন পুরুষ এবং নারী ভোটার রয়েছে ১ হাজার ৭৯৮ জন।

নাটোরের বেশিরভাগ প্রবাসী পোস্টাল ব্যালট হাতে পেয়েছেন, ভোটও দিয়েছেন কেউ কেউ। বিদেশে থেকেও নিজ জেলার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারায় খুশি তারা। সেই সঙ্গে পোস্টাল ব্যালট যেন ঠিকমতো পৌঁছায় সে দাবিও প্রবাসীদের।

প্রবাসীরা জানান, বিদেশের মাটিতে বসে নিজ দেশের জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিতে পেরে আনন্দিত তারা। পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারায় নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানান অনেকে।

আরও পড়ুন:

তবে পোস্টাল ভোটে কিছু প্রতিবন্ধকতা থাকায় কতটা জনপ্রিয় করতে পারে এবারের পোস্টাল ভোট সে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। তবে ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী পোস্টাল ভোটের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়।

নাটোরের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন বলেন, ‘বিশেষভাবে তাদেরকে আনন্দিত করেছে, প্রবাসীরা ভোট প্রদান করতে পারবে। এ পোস্টাল ব্যালটের কার্যক্রম নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মোতাবেক সম্পন্ন করার জন্য আমাদের একজন কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেয়া আছে।’

স্থানীয় প্রার্থী কিংবা তাদের কর্মীদের সরাসরি প্রবাসীদের প্রভাবিত করার সুযোগ নেই। তাই হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে এ ভোটগুলোই বিজয়ের ক্ষেত্রে হয়ে উঠতে পারে ‘তুরুপের তাস’ এমনটাই মনে করছেন নির্বাচন বিশ্লেষকরা।

জেআর