
চাঁদ থেকে পৃথিবীর দিকে ফিরছে আর্টেমিস-২
চাঁদ প্রদক্ষিণ শেষ করে পৃথিবীতে ফিরতে শুরু করেছে নাসা'র আর্টেমিস-২ মিশনের চার নভোচারী। এই অভিযানের মধ্য দিয়ে পৃথিবীর বাইরে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে দূরবর্তী স্থানে মানুষের যাওয়ার নতুন রেকর্ড গড়লেন তারা।

পৃথিবী থেকে সর্বোচ্চ দূরত্বে পৌঁছানোর নতুন মাইলফলক গড়বে আর্টেমিস-২
অ্যাপোলো মিশনের রেকর্ড ভেঙ্গে সোমবার পৃথিবী থেকে সর্বোচ্চ দূরত্বে পৌঁছানোর নতুন মাইলফলক গড়বে চন্দ্রাভিযানে যাওয়া আর্টেমিস-২ মিশনের নভোচারীরা। এ সময় চন্দ্রের পেছনের অংশ প্রদক্ষিণের সময় অন্তত ৪০ মিনিট পৃথিবী থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকবেন তারা। রোববার, মহাকাশযানে বসেই পৃথিবীবাসীর উদ্দেশে ইস্টার সানডের শুভেচ্ছা জানান নভোচারীরা।

চন্দ্রাভিযানের পর প্রথমবারের মতো পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগ নভোচারীদের
বুধবার ৫০ বছরেরও বেশি সময় পর ৪ নভোচারী নিয়ে চন্দ্রাভিযানে নাসার আর্টেমিস ২ মিশন। গতকাল (বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল) ভিডিওর মাধ্যমে পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগ করে নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন এই ক্ররা। চাঁদের দিকে যাওয়া ট্রান্সলুনার ইনজেকশন বার্ন সম্পন্ন করার ঠিক পরেই এই যোগাযোগ করা হয়।

নভোচারীদের ব্যায়ামে হাই-ফ্রিকোয়েন্সি যন্ত্র আবিষ্কার
মহাকাশযানে নভোচারীদের ব্যায়ামকে সাবলীল করতে হাই-ফ্রিকোয়েন্সি ইমপালস ফর মাইক্রোগ্র্যাভিটি নামে একটি যন্ত্র আবিষ্কার করেছে ব্রিটেনের প্রতিষ্ঠান ফিজিক্যাল মাইন্ড লন্ডন। উদ্ভাবক জানান, এর মাধ্যমে শূন্য মাধ্যাকর্ষণেও একজন বারবার লাফ দিতে সক্ষম হবে এবং এটি তাৎক্ষণিকভাবে হাড়, পেশী ও হৃদযন্ত্র গঠনে সহায়ক হবে। যন্ত্রটিকে আরও কার্যকরী করতে গবেষণা চালাচ্ছে বিজ্ঞানীরা।

চীনের মহাকাশ স্টেশন তিয়ানগংয়ে শেনঝো-টোয়েন্টি ওয়ান মহাকাশযান
চীনের মহাকাশ স্টেশন তিয়ানগংয়ে পৌঁছেছে শেনঝো-টোয়েন্টি ওয়ান মহাকাশযানটি। স্থানীয় সময় আজ (শনিবার, ১ নভেম্বর) ভোরে মহাকাশযানটি উত্তর-পশ্চিম চীনের ‘জিউকুয়ান স্যাটেলাইট লঞ্চ সেন্টার’ থেকে যাত্রা শুরু করে। এবারের মিশনে অংশ নিয়েছে চীনের নভোচারী দলের সর্বকনিষ্ঠ সদস্যসহ আরও দুই ক্র্যু মেম্বার ও চারটি ইঁদুর। আগামী ছয় মাস মহাকাশেই অবস্থান করবেন তারা।

চলতি মাসের শেষ দিকে পৃথিবীতে ফিরবেন শেনচৌ–২০ নভোচারীরা
চীনের শেনচৌ–২০ মহাকাশযানের তিন মহাকাশচারী এরইমধ্যে মহাকাশে পার করেছেন ১৭০ দিনেরও বেশি সময়। ছেন তোং, ছেন চোংরুই ও ওয়াং চিয়ে—এই তিনজন নভোচারী গত এপ্রিলের শেষ দিকে স্পেস স্টেশনে প্রবেশ করেন, ছয় মাস মেয়াদি মিশনের অংশ হিসেবে। অক্টোবরের শেষের দিকে তাদের পৃথিবীতে ফেরার কথা রয়েছে বলে সম্প্রতি জানিয়েছে চায়না ম্যানড স্পেস এজেন্সি। খবর সিএমজির।

চতুর্থ স্পেসওয়াকের প্রস্তুতি নিচ্ছেন চীনের শেনচৌ-২০ মহাকাশচারীরা
চীনের মানব মহাকাশ সংস্থা (সিএমএসএ) জানিয়েছে, শেনচৌ-২০ এর তিন নভোচারী শিগগিরই চতুর্থ দফায় এক্সট্রা ভেহিকুলার অ্যাক্টিভিটি (ইভিএ) বা স্পেসওয়াক পরিচালনা করবেন। খবর সিএমজির।

আট মাসের জন্য আইএসএসে পৌঁছালেন তিন মার্কিন ও রুশ নভোচারী
আট মাসের জন্য আন্তর্জাতিক মহাকাশকেন্দ্র আইএসএসে পৌঁছালেন তিন মার্কিন ও রুশ নভোচারী। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার নভোচারী জনি কিম এবং রুশ নভোচারী সের্গেই রিঝিকোভ ও অ্যালেক্সেই জুব্রিৎস্কিকে নিয়ে রওনা দেয় রাশিয়া নির্মিত সয়ুজ বুস্টার রকেট।

নয় মাস মহাকাশে আটকে থাকার পর কর্মক্ষেত্রে ফিরলেন নাসার দুই নভোচারী
দীর্ঘ নয় মাস পর পৃথিবীতে ফেরার দুই সপ্তাহের মধ্যেই পুরোনো জীবনের সাথে খাপ খাইয়ে নিয়েছেন নাসার দুই নভোচারী। এরই মধ্যে ফিরেছেন বোয়িংয়ে, নিজেদের কর্মক্ষেত্রে। যে ক্যাপসুলে কারণে আটকা পড়েছিলেন মহাকাশে, সেটিকে নিয়েই ব্যস্ত হয়েছেন আবারও।

মহাকাশ থেকে ২৮৬ দিন পর পৃথিবীতে ফিরলেন দুই নভোচারী
অবশেষে ২৮৬ দিন আটকে থাকার পর মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে ফিরে আসলেন দুই মার্কিন নভোচারী সুনিতা উইলিয়ামস ও বুচ উইলমোর। প্রায় ১৭ ঘণ্টার দীর্ঘ যাত্রা শেষে তাদের বহনকারী স্পেসএক্সের ক্যাপসুলটি বিশেষ প্যারাসুটে করে মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) রাতে সমুদ্রে অবতরণ করে। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর নভোচারীরা পরিবারের কাছে ফিরে যাবেন। এটিকে অসাধারণ যাত্রা বলেছেন নাসার কর্মকর্তারা।

নয় মাস পর পৃথিবীতে ফেরার পথ খুললো দুই নভোচারীর
২৯ ঘণ্টার যাত্রা শেষে নতুন ক্রু নিয়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছেছে স্পেসএক্সের ক্যাপসুল। ফলে নয় মাস পর পৃথিবীতে ফেরার পথ খুললো দুই নভোচারীর।

মানবদেহ মহাকাশ ভ্রমণের উপযোগী নয়
মানবদেহ মহাকাশ ভ্রমণের উপযোগী নয়। দীর্ঘদিন মহাকাশে অবস্থান করলে নভোচারীদের হাড় ও পেশির ক্ষয় ছাড়াও দৃষ্টিশক্তি, রক্তচাপ, কিডনি ও হার্টসহ নানা শারীরিক এবং মানসিক জটিলতা দেখা দেয়। পৃথিবীর সীমানার বাইরে নানা শরীরবৃত্তীয় পরিবর্তনে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েন মহাকাশচারীরা। তাদের স্বাস্থ্যগত বিষয় নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।