হামজা-শোমিতসহ প্রবাসী তারকাদের আগমনে নামের ভারে অনেকটা এগিয়ে থাকলেও এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে টেবিলের তলায় থাকতে হয়েছে বাংলাদেশকে। আর এজন্য সাবেক ফুটবলার থেকে সমর্থক সবাই একবাক্যে দোষ চাপান কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার ঘাড়ে। বদলে যাওয়া বাংলাদেশ দলকে সামাল দেয়ার সক্ষমতা কতটুকু আছে তার, এ নিয়েও প্রশ্ন ওঠে সবখানে।
সবার অভিযোগ আমলে নিয়ে এরইমধ্যে নতুন কোচ খুঁজতে নেমে পড়েছে বাফুফে। হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার পরিবর্তে কেমন কোচ প্রয়োজনে দেশের ফুটবলে? এমন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার ও কোচরা।
সাবেক ফুটবলার ও কোচ শফিকুল ইসলাম মানিক বলেন, ‘কোচের একটা দায়িত্ব হবে যে আমরা নাম্বার নাইন কিভাবে তৈরি করতে পারি। বা এখান থেকে নাম্বার নাইনকে কিভাবে প্রয়োগ করতে পারি।’
অবশ্য কেবল কোচ পরিবর্তনেই সংকট কাটবে বলে মনে করেন না সাবেকরা।
আরও পড়ুন:
সাবেক ফুটবলার ও কোচ জসিম উদ্দিন জোসি বলেন, ‘তার যেন একটা মানে পুরোপুরি ধারণা থাকে যে বাংলাদেশের ফুটবলাররা কিভাবে তৈরি হচ্ছে আর কিভাবে তারা জাতীয় দলে খেলছে। আর তাদের কি কি দক্ষতা আছে।’
জাতীয় দলের প্রীতি ম্যাচের প্রিয় প্রতিপক্ষ নেপাল, মালদ্বীপ কিংবা ভুটান। তবে ফুটবল উন্নয়নের স্বার্থেই এশিয়ান প্রতিপক্ষের সঙ্গে খেলা আয়োজনের তাগিদ শফিকুল ইসলাম মানিকের।
জসিম উদ্দিন জোসি বলেন, ‘মধ্যম মানের একটা কোচ এনে কিছু করবেন টাফ হবে না? এশিয়ান গেমস কেন? বার্সেলোনা থেকে কোচ এনেও তো বসুন্ধরা কিংস অনেক ছোট ছোট টিমের কাছে হেরেছে। কারণ কী? খেলোয়াড়দের কোয়ালিটি।’
শফিকুল ইসলাম মানিক বলেন, ‘সাউথ ইস্ট এশিয়াটাকে আমি প্রথম প্রেফার করবো। এটা পার হতে হবে। এ গণ্ডিটা পার হতে হবে। তাড়াহুড়ো করে দেখা যায় যে নেপালের সঙ্গে খেলতে হচ্ছে। বা ভুটানের সঙ্গে খেলতে হচ্ছে। এগুলো আমাদের এখন বাদ দিতে হবে।’
ভবিষ্যৎ কোচকে ছুটি কাটানোর চেয়ে দেশের লিগের খেলা দেখায় আরও বেশি মনোযোগী হওয়ার আহ্বানও আছে সাবেক দুই ফুটবলারের।





