এমন ঘোষণার পর কিছুটা চাপে ফেডারেশনগুলো। বেশিরভাগ ফেডারেশনে মাসের পর মাস ধরে নেই খেলা। ফেডারেশনগুলো তবু আশাবাদী এমন চাপের মুখে খেলা চালু করতে।
বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এস এম নেওয়াজ সোহাগ বলেন, ‘আমি চ্যালেঞ্জ মনে করছি না। এ প্রক্রিয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাই, স্ট্রাকচার প্ল্যান না থাকলে ডেভেলপমেন্ট হবে। আমাদের স্ট্রাকচার স্ট্রং। চার মাস প্রয়োজন নেই দুই মাসের মধ্যেই আমরা ভালো করতে পারবো।’
আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বিমল ঘোষ বলেন, ‘যদি ইচ্ছা থাকে তাহলে উপায় হয়। আমার প্লেয়ারদের বলবো তোমরা যে টাকা পাচ্ছো তার সঠিক মূল্যায়ন করো।’
এদিকে ক্রীড়া ভাতার জন্য নাম জমা না দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছিল হ্যান্ডবল ফেডারেশন। টেলিফোনে সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দীন আহমেদ জানান, কেন প্রথম দফায় নাম দেয়া হয়নি তাদের পক্ষ থেকে।
তিনি বলেন, ‘আমরা ন্যাশনাল ফেডারেশন করলাম জুলাইতে। ন্যাশনাল টিমের জন্য আমরা ৩০ জন খেলোয়াড়কে কল করলাম। তিন মাস প্র্যাকটিস করলাম।’
তবে নানাবিধ চ্যালেঞ্জ উৎরে খুব দ্রুতই ক্রীড়াঙ্গনে স্বস্তির পরিবেশ ফেরানোর ব্যাপারে আশাবাদী ফেডারেশনগুলো।





