আজ (সোমবার, ২২ জুন) সংসদ ভবনে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন ইরানীদের বীরের জাতি হিসেবে উল্লেখ করেন এবং যুদ্ধের সময় ইরান সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের সাহসী ভূমিকার প্রশংসা করেন। এছাড়া দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রসমূহ প্রসারিত হলে দুই দেশই উপকৃত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্পিকার।
এসময় ইরানী রাষ্ট্রদূত ঢাকা-তেহরান সরাসরি ফ্লাইট চালু করতে স্পিকারের সহযোগিতা কামনা করেন। এছাড়াও রাষ্ট্রদূত ইরানের বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা গ্রহণে বাংলাদেশিদের উৎসাহিত করতে স্পিকারকে অনুরোধ জানান।
আরও পড়ুন:
পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশে বাণিজ্য-বিনিয়োগ ১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সেইসঙ্গে ইরানের প্যাট্রো ক্যামিকেল, ইউরিয়া সার ও খাদ্যসামগ্রী সাশ্রয়ী দামে বাংলাদেশে রপ্তানির জন্য স্পিকারকে প্রস্তাব দেন ইরানী রাষ্ট্রদূত।
বাংলাদেশের বিশ্বমানের পোষাক আমদানিতে তেহরান আগ্রহী বলে স্পিকারকে অবহিত করেন। ইরানী সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে শোক প্রস্তাব পাস করায় রাষ্ট্রদূত স্পিকারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
এসময় রাষ্ট্রদূত ইরান ও বাংলাদেশের মধ্যকার সাংষ্কৃতিক বিনিময় ও শুল্কমুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নবায়নে স্পিকারের সহযোগিতা কামনা করেন। দুই দেশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধির পাশাপাশি রাষ্ট্রদূত দুই দেশের সংসদীয় সম্পর্ক জোরদারে স্পিকারের সহযোগিতা কামনা করেন।




