দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত প্রস্তুতির পথে। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আগামী ২৮ এপ্রিল বিকেল ৩টায় রাশিয়ার সহায়তায় তৈরি রূপপুর প্রকল্পের প্রথম ইউনিটে শুরু হবে ফুয়েল লোডিং কার্যক্রম।
এরপর চলতি বছরের আগস্ট থেকেই মিলবে মেগা এ প্রকল্পের সুফল। পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। আর আগামী বছরের জানুয়ারিতে প্রথম ইউনিট থেকে পূর্ণমাত্রায় ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ‘আগস্টে আমরা আলোচিত ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দিতে পারবো বলে আমরা আশা করছি। আমরা এটাকে ৫০০ মেগাওয়াটে উন্নীত করতে চেষ্টা করবো। ডিসেম্বরের শেষ থেকে ২০২৭ সালের জানুয়ারির শুরুর দিকে আমরা ১ হাজার মেগাওয়াট জাতীয় গ্রিডে দেবো ইনশাআল্লাহ।’
আরও পড়ুন:
দ্বিতীয় ইউনিটের ফুয়েল লোডিং শুরু হবে ২০২৭ সালের জুনে। সে বছরের সেপ্টেম্বর নাগাদ দুই ইউনিট মিলিয়ে মোট ২ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে গ্রিডে। আজ (রোববার, ২৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অগ্রগতি তুলে ধরেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
তিনি বলেন, ‘ওটার ফুয়েল লোডিং শুরু হবে ২০২৭ এর জুন নাগাদ। ওটার জন্য আলাদা তিন মাস লাগতে পারে। এরপর আমরা ইনশাআল্লাহ ২ হাজার ২০০ মেগাওয়াট দিতে পারবো।’
মন্ত্রী বলেছেন, আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার সব নির্দেশনা মেনেই কাজ এগিয়ে চলছে। বিদ্যুৎ সঞ্চালনের জন্য প্রয়োজনীয় গ্রিড লাইনও প্রস্তুত।
এখন প্রকল্পটিতে কর্মরত আছেন পাঁচ হাজার রুশ কলাকুশলী ও বিশ হাজার বাংলাদেশি কর্মী। ধাপে ধাপে কেন্দ্রটির পরিচালনার দায়িত্ব বাংলাদেশি জনবলের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী।





