আজ (বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল) বেলা ১১টায় মতিঝিলে ডিসিসিআইয়ের প্রধান কার্যালয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের বাংলাদেশের ওপর প্রভাব নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ তথ্য তুলে ধরেন সংগঠনটির সভাপতি তাসকীন আহমেদ।
লিখিত বক্তব্যে তাসকীন আহমেদ জানান, বর্তমানে দেশে ডিজেল মজুদ রয়েছে ধারণক্ষমতার ২০ দশমিক ৬ শতাংশ, যা দিয়ে সর্বোচ্চ ১১ দিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব।
আরও পড়ুন:
একইভাবে অকটেন মজুদ রয়েছে ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ, যা দিয়ে সর্বোচ্চ ৭ দিনের চাহিদা পূরণ করা যাবে বলে মনে করছে ডিসিসিআই।
অন্যদিকে, পেট্রোলের মজুদ দিয়ে চাহিদা মেটানো সম্ভব মাত্র ৬ দিনের, যা মোট ধারণক্ষমতার ৩০ দশমিক ৮ শতাংশ। এছাড়া শিল্পকারখানাগুলোতে প্রতিদিন ৩ হাজার ৭০০ থেকে ৩ হাজার ৯০০ ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা থাকলেও সরবরাহ করা হচ্ছে মাত্র ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ১০০ ঘনফুট।
ডিসিসিআই সভাপতি সতর্ক করে বলেন, ‘এ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশের অর্থনীতি গভীর সংকটে পড়তে পারে।’





