জাতিসংঘ
ইরানের বিরুদ্ধে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে সৌদি আরব

ইরানের বিরুদ্ধে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে সৌদি আরব

ইরানের দিকে আরও একটি যুদ্ধের নৌবহর পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। শিগগিরই তেহরান-ওয়াশিংটনের মধ্যে একটি চুক্তি হবে বলেও জানান তিনি। এদিকে, ফোনালাপে সৌদি যুবরাজের কাছে ইরানের প্রেসিডেন্ট অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ক্রমাগত হুমকি দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো পদক্ষেপে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না বলে নিশ্চিত করেছে সৌদি আরব। উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।

ডব্লিউএইচও ত্যাগের শর্ত পূরণ করেনি যুক্তরাষ্ট্র: জাতিসংঘ

ডব্লিউএইচও ত্যাগের শর্ত পূরণ করেনি যুক্তরাষ্ট্র: জাতিসংঘ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিলেও সদস্যপদ ত্যাগের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি ও আর্থিক শর্তগুলো এখন পর্যন্ত পূরণ করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। জাতিসংঘ স্পষ্ট জানিয়েছে, ডব্লিউএইচও-এর গঠনতন্ত্র ও ১৯৪৮ সালের আমেরিকার কংগ্রেসের যৌথ প্রস্তাব অনুযায়ী, সংস্থাটি ত্যাগ করতে হলে অন্তত এক বছরের আগাম নোটিশ এবং যাবতীয় বকেয়া পাওনা অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে। তবে ওয়াশিংটন এ শর্তগুলো যথাযথভাবে পূরণ করেছে কি না, তা নিয়ে এখন পর্যন্ত মহাসচিবের কার্যালয়ে কোনো নিশ্চিত নথিপত্র এসে পৌঁছায়নি।

ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ নিয়ে কোনো আপত্তি নেই জাতিসংঘের: ডুজারিক

ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ নিয়ে কোনো আপত্তি নেই জাতিসংঘের: ডুজারিক

জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত ‘বোর্ড অব পিস’-এর লোগো নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলেও বিষয়টি নিয়ে কোনো আইনি বা নীতিগত উদ্বেগ দেখায়নি জাতিসংঘ। ‘বোর্ড অফ পিস’-এর লোগো জাতিসংঘের লোগোর সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ কিনা এবং এতে কপিরাইট বা ট্রেডমার্ক সংক্রান্ত কোনো সমস্যা তৈরি হতে পারে কিনা প্রশ্নের জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক স্পষ্টভাবে জানান, এ নিয়ে জাতিসংঘের কোনো আপত্তি বা পদক্ষেপ নেয়ার বিষয় নেই।

ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’: জাতিসংঘের বিকল্প নাকি সহযোগিতা?

ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’: জাতিসংঘের বিকল্প নাকি সহযোগিতা?

ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত নতুন উদ্যোগ ‘বোর্ড অব পিস’ ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা এখন তুঙ্গে। এই উদ্যোগটি ভবিষ্যতে জাতিসংঘকে প্রতিস্থাপন করতে পারে কি না— এমন এক প্রশ্নের জবাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংক্ষিপ্ত অথচ রহস্যময় উত্তর, ‘হতে পারে’, বিশ্ব কূটনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

জাতিসংঘের বিকল্প হতে পারে গাজার ‘বোর্ড অব পিস’: ট্রাম্প

জাতিসংঘের বিকল্প হতে পারে গাজার ‘বোর্ড অব পিস’: ট্রাম্প

গাজার যুদ্ধ বন্ধ ও উপত্যকাটি পুনর্গঠনের উদ্দেশ্যে তৈরি করা ‘বোর্ড অব পিস’ জাতিসংঘের স্থলাভিষিক্ত হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরানের বিক্ষোভ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন ট্রাম্প: যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের বিক্ষোভ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন ট্রাম্প: যুক্তরাষ্ট্র

বিক্ষোভ ইস্যুতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকেও পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি দিলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। হোয়াইট হাউজও বলছে, ইরানের বিক্ষোভ পরিস্থিতি এখনও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন ট্রাম্প। আগ্রাসনে শিকার হলে তেহরানও বৈধভাবে উচিত জবাব দিতে প্রস্তুত বলে সতর্ক করা হয়েছে। মার্কিন বলপ্রয়োগ বা হুমকির বিরোধিতা করে নিন্দা জানিয়েছে চীন ও রাশিয়া।

দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ১০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরাইল

দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ১০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরাইল

গাজায় দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ১০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরাইলি বাহিনী। আর গাজার অন্তর্বর্তী প্রশাসনের জন্য গঠিত পিস বোর্ডকে সমর্থন জানান ট্রাম্প। গাজা পুনর্গঠনে উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা কথা বলেছেন বোর্ডের এক ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা। দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতিকে জাতিসংঘ স্বাগত জানালেও, তা বাস্তবায়ন নিয়ে সন্দিহান ফিলিস্তিনিরা।

নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভুয়া তথ্য ও বিভ্রান্তি মোকাবিলায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের সহায়তা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ বিষয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্কের সঙ্গে আজ (মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি) টেলিফোনে কথা বলেন তিনি।

ট্রাম্পের ‘আইন না মানার’ দম্ভোক্তি: আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মানের আহ্বান জাতিসংঘের

ট্রাম্পের ‘আইন না মানার’ দম্ভোক্তি: আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মানের আহ্বান জাতিসংঘের

‘আমার আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োজন নেই’-মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন দম্ভোক্তি বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। ট্রাম্পের এই ‘পেশিশক্তির’ রাজনীতিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে জাতিসংঘ। বিশ্ব সংস্থাটি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, পৃথিবী চলবে আইনের শাসনে, কোনো একক দেশের গায়ের জোরে নয়। একইসঙ্গে ৩১টি আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা এবং বকেয়া পরিশোধ না করায় ওয়াশিংটনের ভোটাধিকার হারানোর শঙ্কা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে নতুন কূটনৈতিক জটিলতা।

জাতিসংঘের সংস্থাগুলো থেকে নাম প্রত্যাহার করার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

জাতিসংঘের সংস্থাগুলো থেকে নাম প্রত্যাহার করার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

জাতিসংঘের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আকস্মিক এ সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তবে ওয়াশিংটনের এমন পদক্ষেপে দমে না গিয়ে নিজেদের ম্যান্ডেট অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে জাতিসংঘ।

আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে বাংলাদেশের নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে না জাতিসংঘ

আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে বাংলাদেশের নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে না জাতিসংঘ

আইনি সীমাবদ্ধতার কারণেই বাংলাদেশের নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে না জাতিসংঘ। গতকাল (বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি) নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানিয়েছেন, নিরাপত্তা পরিষদ বা সাধারণ পরিষদের মতো উচ্চপর্যায়ের সুনির্দিষ্ট ম্যান্ডেট ছাড়া সরাসরি পর্যবেক্ষক পাঠাতে পারে না জাতিসংঘ। তবে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে ব্যালট প্রকল্পের মাধ্যমে ইসির সক্ষমতা বাড়াতে সংস্থাটি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

৬৬ আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিলো ট্রাম্প

৬৬ আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিলো ট্রাম্প

জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থাসহ আন্তর্জাতিক অন্তত ৬৬টি সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় আজ (বুধবার, ৭ জানুয়ারি) মার্কিন প্রেসিডেন্ট এ ঘোষণা দেন। ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কয়েক ডজন আন্তর্জাতিক এবং জাতিসংঘের সংস্থা থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ জলবায়ু চুক্তি এবং লিঙ্গ সমতা ও নারীর ক্ষমতায়নকে উৎসাহিত করে জাতিসংঘের এমন একটি সংস্থাও রয়েছে। কারণ সংস্থাগুলো ‘যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থি’ কাজ করে।