কানাডার টরেন্টো, মন্ট্রিয়াল ও ভ্যাঙ্কুভারে সব থেকে বেশি বাংলাদেশির বাস। প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার দূরে থেকেও তাদের মন এখন পড়ে আছে দেশে ভোটের মাঠে। বেশিরভাগ মানুষই আশাবাদী সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যাপারে।
নতুন সরকারের কাছে তাদের প্রধান প্রত্যাশা-নিরাপদ ও স্থিতিশীল বাংলাদেশের। যেখানে মানুষ পাবে সহজে খেয়ে পড়ে বাঁচার নিশ্চয়তা। বাড়বে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা।
প্রবাসীদের মতে, দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে উন্নয়ন টেকসই হয় না। সাধারণ মানুষের নিরাপদ জীবন ও আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠাকে তারা অগ্রাধিকার দিতে চান।
আরও পড়ুন:
প্রবাসী একজন বলেন, ‘এমন একটা সরকার চাই, যারা বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আনেতে পারবে। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখতে পারবে। বিদেশে যারা শক্তিধর রাষ্ট্র আছে তাদের সঙ্গেও সম্পর্ক রাখতে পারবে।’
পাশাপাশি শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়েও নতুন সরকারের প্রতি জোরালো দাবি বাঙালিদের। তাদের মতে, অতীতের মতো দুর্বল শিক্ষা ব্যবস্থা থাকলে দেশের অগ্রগতিকে তা বাধাগ্রস্তই করবে। তাই তো চাওয়া, শিক্ষায় বাস্তবভিত্তিক সংস্কার, মানসম্মত পাঠদান এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে। দেশের বাইরের বাজার ধরার জন্য প্রস্তুত হতে পারে।
প্রবাসীরা জানান, শিক্ষার্থীদের জন্য শুধু সার্টিফিকেটে মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা হাতে কলমে ও প্রযুক্তিগত শিক্ষা ব্যবস্থা চান প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
অন্যান্য দেশের মতো পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিয়েছেন কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশিরাও। তাদের আশা, নির্বাচিত সরকার ক্ষমতা নিলে বিনিয়োগের পথ সহজ হবে। তখন কানাডা থেকেও আসতে পারে বড় ধরনের বিনিয়োগ





