Recent event

সারা দেশে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটি পুনর্গঠনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের লোগো
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের লোগো | ছবি: সংগৃহীত
1

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটি’ সংশোধনপূর্বক পুনর্গঠন করে নতুন অফিস আদেশ জারি করেছে। আজ (বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক শাখা-২ এর উপসচিব কে এম ইয়াসির আরাফাত স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে গত বছর ২ সেপ্টেম্বর গঠিত ‘জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটি’ সংশোধনপূর্বক নিম্নরূপভাবে পুনর্গঠন করা হলো।

জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে কারা থাকবেন

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন সভাপতি। এছাড়া সদস্য হিসেবে থাকবেন— পুলিশ সুপার, পুলিশ সুপার (ডিএসবি), ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (মেট্রোপলিটন জেলাসমূহের ক্ষেত্রে), সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ/বিজিবি/কোস্ট গার্ড প্রতিনিধি (সীমান্তবর্তী/উপকূলীয় জেলাগুলোর ক্ষেত্রে), তত্ত্বাবধায়ক, জেলা সদর হাসপাতাল, জেলা সিভিল সার্জন, উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, যুগ্ম পরিচালক/উপ-পরিচালক, এনএসআই, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, জেলার সব উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান/প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সব)।

আরও পড়ুন:

এছাড়াও অতিরিক্ত/সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল), জেলা কমান্ড্যান্ট, আনসার ও ভিডিপি, মেয়র/প্রশাসক, পৌরসভা (সব), সভাপতি /সাধারণ সম্পাদক/উপযুক্ত প্রতিনিধি, জেলা বার অ্যাসোসিয়েশন, সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক/উপযুক্ত প্রতিনিধি, চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক/উপযুক্ত প্রতিনিধি, জেলা প্রেসক্লাব, জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর, জেলা সদরের সরকারি কলেজগুলোর অধ্যক্ষ, উপজেলা পর্যায়ের একজন কলেজ অধ্যক্ষ (জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক মনোনীত), জেলা শিক্ষা অফিসার, জেলা ডিজিএফআই প্রতিনিধি ও জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাসহ ৩১ জন কর্মকর্তা জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিস আদেশে বলা হয়েছে, জেলার সব সংসদ সদস্য এই কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করবেন।

সভার কার্যবিবরণী তাদেরকে নিয়মিত সরবরাহ করতে হবে। পৃথক নোটিশের মাধ্যমে তাদেরকে সভায় উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করতে হবে।

জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির কার্যপরিধি

সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং সংঘটিত অপরাধ পর্যালোচনা করা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করা ও পরিকল্পনা মোতাবেক কার্য সম্পাদন করা, অপরাধী ও সমাজবিরোধী ব্যক্তিদের অপরাধমূলক কার্যকলাপ ফলপ্রসূভাবে প্রতিরোধকল্পে পরিকল্পনা গ্রহণ ও যথোপযুক্ত পন্থা নির্ধারণের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করা।

আরও পড়ুন:

খুন, ধর্ষণ, ছিনতাই, অপহরণ, এসিড নিক্ষেপ, মেয়েদের উত্যক্তকরণ, নারী ও শিশু পাচার, কিশোর গ্যাং এর অপরাধ, মাদক ব্যবসা ও সেবন ইত্যাদি জঘন্য প্রকৃতির অপরাধগুলো নিয়ন্ত্রণকল্পে কার্যকর কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা। অপরাধ ও অপরাধীদের নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা এবং পরিকল্পনায় তাদের সম্পৃক্তকরণ।

অপরাধ দমনে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে (পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি ইত্যাদি) সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে উৎসাহ প্রদান। আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নে সরকার/বিভাগীয় আইনশৃঙ্খলা কমিটির নিকট প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রেরণ। আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় বিবেচনাকরণ এবং সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রদত্ত নির্দেশনা মোতাবেক কার্যক্রম গ্রহণ।

আরও পড়ুন:

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিস আদেশে আরও বলা হয়েছে, জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির স্থানীয় প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটরা যেকোনো সরকারি কর্মকর্তা/দপ্তর প্রধানকে কমিটির সদস্য হিসেবে কো-অপ্ট করতে পারবেন।

কমিটি প্রতি মাসে কমপক্ষে একবার সভায় মিলিত হবে এবং প্রয়োজনবোধে যেকোনো সময়ে সভা অনুষ্ঠান করবে।

পুলিশ সুপার প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্তসহ সভায় আবশ্যিকভাবে উপস্থিত থাকবেন।

এসএস