সেপ্টেম্বরের জেন-জি আন্দোলনের পর বৃহস্পতিবার নেপালে হয়ে গেলো সাধারণ নির্বাচন। যেখানে লাখ লাখ ভোটার শান্তিপূর্ণভাবে তাদের ভোট দেন। বৃহস্পতিবার রাত ৯টা থেকে এখনও চলছে ভোট গণনা।
নির্বাচন কমিশন জানায়, এখন পর্যন্ত ভোটে বড় ব্যবধানে এগিয়ে জাতীয় স্বতন্ত্র পার্টির নেতা ৩৫ বছর বয়সি তরুণ র্যাপার ও রাজনীতিবিদ বালেন শাহ। তিনি সিপিএন-ইউএমএল চেয়ারম্যান কেপি শর্মা অলির চেয়ে এগিয়ে। তবে শ্রম সংস্কৃতি পার্টি, উব্জ্যালো নেপাল, রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টি এবং জনতা সমাজবাদী পার্টি-নেপালসহ অন্যান্য দলগুলো এখন পর্যন্ত কোনো আসনেই এগিয়ে থাকার খবর পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন:
এবারের নির্বাচনে ৫৮ শতাংশেরও বেশি ভোট পড়েছে। পাহাড় ও মধেশ অঞ্চলের কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ও বিবাদ ছাড়া ভোট শান্তিপূর্ণ ছিলো। ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাম প্রসাদ ভাণ্ডারী বলেন, ‘ব্যতিক্রমী পরিস্থিতির মধ্যে নির্ধারিত তারিখে স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচন করাটাই ছিলো বড় চ্যালেঞ্জ।’
সফলভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করেন রাম প্রসাদ ভাণ্ডারী। তিনি জানান, পার্বত্য জেলাগুলো থেকে ব্যালট বাক্স সংগ্রহের পরপরই ভোট গণনা শুরু হচ্ছে।
ন্যাশনাল ইলেকশন অবজারভেশন কমিটির চেয়ারম্যান গোপাল কৃষ্ণ সিওয়াকোটি বলেন, ‘এ নির্বাচন আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণ করেছে।’
এছাড়াও, নেপালের কোথাও পুনরায় ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হয়নি—যা দেশটির নির্বাচনি ইতিহাসে বিরল একটি ঘটনা বলে দাবি করে নির্বাচন কমিশন।
২০০৮ সালের সংবিধান সভা নির্বাচনের পর থেকে এ পর্যন্ত গড় ভোটের হার ৬৯ দশমিক ৪ শতাংশ। এর মধ্যে ২০১৩ সালে সর্বোচ্চ ৭৮ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট পড়েছিলো, এবং সর্বনিম্ন ৬১ দশমিক ৪ শতাংশ ভোট রেকর্ড করা হয়েছিলো ২০২২ সালের নির্বাচনে।





