
এবার জেন-জিরা প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্রর পদত্যাগ চায়, উত্তাল নেপাল
নেপালে নিজেদের সরকারের বিরুদ্ধেই আন্দোলনে নেমেছে জেন-জিরা। তরুণ নেতাদের ধরপাকড় ও তরুণের আত্মহত্যা ঘিরে প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ’র পদত্যাগের দাবিতে রাস্তায় নেমেছে তরুণ প্রজন্ম। দুই আন্দোলনকারীর মৃত্যু ঘিরে বিক্ষোভ রূপ নিয়েছে সহিংসতায়। বস্তিবাসীদের পুনর্বাসন ঘিরে সরকারের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করছে আন্দোলনকারীরা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন আপত্তিকর পোস্টের জেরে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

নেপালের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বালেন্দ্র শাহ
র্যাপার থেকে রাজনীতিতে আসা বালেন্দ্র শাহ নেপালের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। তিনি দেশটির ৪৭তম প্রধানমন্ত্রী। প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পৌডেল তাকে এ পদে নিয়োগ দেন।

র্যাপার থেকে নেপালের নতুন সরকারপ্রধান বালেন্দ্র শাহ
প্রায় চার বছরের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেপালের নতুন সরকারপ্রধান জনপ্রিয় র্যাপার ও কাঠমান্ডুর সাবেক মেয়র বালেন্দ্র শাহ। গানের তালে তালে দুর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং ২০২৫ সালের জেন-জি আন্দোলনে সমর্থন দিয়ে অল্প সময়ের মাঝেই নেপালি তরুণদের আইডল বনে যান বালেন্দ্র শাহ। এছাড়া মেয়রের দায়িত্ব পালনের সময়ে জনকল্যাণমুখী উদ্যোগের মাধ্যমে ভোটারদের মন জয় করেন বালেন্দ্র।

নেপালে ভোটগ্রহণ শেষে চলছে গণনা; এগিয়ে জেন-জি সমর্থিত বালেন্দ্র শাহ
গণ-অভ্যুত্থানের ৬ মাস পর নির্বাচিত সরকার গঠনের পথে নেপাল। এগিয়ে জেন-জি সমর্থিত বালেন্দ্র শাহ ও তার দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি। এখনও চলছে ভোট গণনা। চলমান রাজনীতি ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে আশার আলো জাগাচ্ছে এ নির্বাচন।

নির্বাচনে কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি; তবু দেশ ছাড়ছেন নেপালের তরুণরা
নির্বাচনের আগে নেপালের রাজনৈতিক দলগুলোর দেয়া কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতিতেও ভরসা পাচ্ছেন না বেকার তরুণরা। ফলে ভোটের আমেজের মধ্যেও প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৫০০ তরুণ দেশ ছাড়ছেন। এমনকি বিদেশে চাকরির আশায় দেশটির ট্রেনিং সেন্টারগুলোতেও ভর্তির হিড়িক পড়েছে। রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিদেশের চাকরিতে বেশি আস্থা দেশটির জনগণের।

অন্তর্বর্তী প্রশাসনের কড়া নিরাপত্তা; তবু নেপালে সুষ্ঠু ভোট নিয়ে উদ্বেগ
অন্তর্বর্তী প্রশাসনই মনে করছে, জেন-জি বিক্ষোভের পর ৫ মার্চ নেপালের আসন্ন সাধারণ নির্বাচন হবে অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং। প্রায় ১১ হাজার ভোটকেন্দ্রের মধ্যে বেশিরভাগই ঝুঁকিপূর্ণ বলছে পুলিশ। এজন্য মোতায়েন করা হয়েছে ৭৯ হাজারের বেশি সেনা সদস্য। তবু ভোটারদের মধ্যে অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।