বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের স্বাগত জানান। সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠকটি আন্তরিক, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠককালে তারা ভ্রাতৃপ্রতীম উভয় দেশের পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ও ভূ-রাজনৈতিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষ করে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার ওপর জোর দেয়া হয়।
দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময়, শিক্ষা, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্বের মতো বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পায়।
এছাড়া আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং বৈশ্বিক নানা সংকট মোকাবিলায় যৌথ সহযোগিতার বিষয়েও তারা ঐকমত্য পোষণ করেন। উভয়পক্ষই আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও তুরস্কের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় উপনীত হবে।
আরও পড়ুন:
বিরোধীদলীয় নেতা তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এবং তার সরকারকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তরিক সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে আরও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য তুরস্ক সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
এসময় বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষ থেকে তুরস্কের সম্মানিত প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের উদ্দেশে একটি সম্মানসূচক শুভেচ্ছাপত্র পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। পাশাপাশি তাদের বাংলাদেশ সফরের জন্য পুনরায় উষ্ণ অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়।
আমিরে জামায়াতের সঙ্গে ছিলেন সংগঠনের নায়েবে আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মো. সেলিম উদ্দিন এবং আমিরে জামায়াতের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান।





