রুটে বলেন, ‘আমি মনে করি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোরভাবে প্রতিক্রিয়া দেখানোটা অপরিহার্য ছিল।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, ন্যাটোর সদস্য দেশগুলো এই বিষয়ে একমত হবে যে ‘ইরান যেন কখনোই পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন করতে না পারে।’ একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষার গুরুত্বও পুনর্ব্যক্ত করা হবে বলে জানান তিনি।
ন্যাটোর প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতির বিষয়ে ‘কোনো সন্দেহ নেই’ বলে উল্লেখ করেন রুটে। তবে ওয়াশিংটনের সঙ্গে মিত্র দেশগুলো তাদের প্রতিরক্ষা ব্যয়কে ‘সমতায়’ আনবে বলে প্রত্যাশা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
সম্মেলনে প্রতিরক্ষা ব্যয় একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে। ২০৩৫ সালের মধ্যে জিডিপির ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে মিত্র দেশগুলোকে ‘বিশ্বাসযোগ্য’ পরিকল্পনা উপস্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন রুটে। গত বছর হেগে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে এই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।





