প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের শুরু থেকেই ইরানের শীর্ষ নেতাদের হত্যা করা ইসরাইলের কৌশলের অংশ ছিল। তবে গত এপ্রিল মাসে যুদ্ধবিরতি নিয়ে যখন অত্যন্ত গোপনীয় ও সূক্ষ্ম আলোচনা চলছিল, তখন ইরানের দুই প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব—পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফকে ইসরাইল লক্ষ্যবস্তু করতে পারে বলে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ চরম আকার ধারণ করে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ওয়াশিংটন যখন তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থিতিশীল করার চেষ্টা করছিল, ইসরাইলের এমন সম্ভাব্য পদক্ষেপ সেই প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ ভন্ডুল করে দিতে পারত। তবে এই হত্যাচেষ্টার বিষয়ে ইসরাইলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।





