বিবৃতিতে কর্নেল ওতাইবি জানান, ড্রোন দুটি ‘ইরাকি সীমান্ত’ থেকে কুয়েতের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে হামলা চালায়। এই হামলায় স্থাপনায় ক্ষতি হলেও কোনো মানুষ হতাহত ঘটেনি।
আরও পড়ুন:
হামলার পর কুয়েতি কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ‘প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ’ গ্রহণ শুরু করেছে বলে জানান তিনি। তবে ইরাকের কোন গোষ্ঠী এই হামলার পেছনে জড়িত, সে বিষয়ে কুয়েত বা ইরাক সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই ড্রোন হামলা প্রতিবেশী দেশ দুটির মধ্যে নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি করেছে। সীমান্ত এলাকায় কুয়েতি সামরিক বাহিনীর নজরদারি ও টহল বাড়ানো হয়েছে।





