এক বিবৃতিতে বলা হয়, এ হামলায় খোররামশাহর সুপার-হেভি মিসাইল যেটি দ্বৈত ওয়ারহেডের, খায়বার-শাখান, কদর, এমাদ এবং প্রথমবারের মতো অপারেশন সাদেক প্রমিজ এ চারটি কৌশলগত জ্বালানি চালিত সেজিল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর প্রচার বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সেজিল হলো একটি মাঝারি পাল্লার সারফেস-টু-সারফেস ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।
আরও পড়ুন:
ইরানের নাতাঞ্জ পারমাণবিক কেন্দ্র থেকে তেল আবিবের দূরত্ব মাত্র ৭ মিনিটে পাড়ি দিতে পারে।
এদিকে, কিছুক্ষণ আগে ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরান থেকে আসা আরেক দফার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শনাক্ত করেছে। আগের দফার হামলার খবর আসার দুই ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে এই নতুন হামলাটি চালানো হয়।





