এসময়ে আল-খুলায়ফি বলেন, ‘টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের একমাত্র পথ হলো আলোচনায় ফেরা। প্রতিবেশী দেশগুলোতে ইরানের হামলা “কারও জন্যই লাভজনক নয়” এবং বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হওয়ায় “চরম উদ্বিগ্ন” কাতার।’
আল-খুলায়ফি বলেন, ‘কাতারের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্নকারী “অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য” হামলার নিন্দা জানায় দোহা এবং আত্মরক্ষায় “সব বৈধ পদক্ষেপ” নেবে।’ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রাখা নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক সমাধান জরুরি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ইরানের হামলা অব্যাহত থাকলে কাতার ও ওমান মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করতে পারবে না বলে জানান আল-খুলায়ফি। তিনি বলেন, ‘এ বার্তা কয়েক দিন আগে তেহরানের সঙ্গে ফোনালাপে কাতারের প্রধানমন্ত্রীও পৌঁছে দিয়েছেন।’ একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও যোগাযোগ খোলা রয়েছে এবং সামরিক অভিযান বন্ধ করে আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।





